Homeঅটোকারগাড়িবাইকের পর এবার সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সস্তা চার চাকা গাড়ি আনল Bajaj, 35 কিমি মাইলেজ

বাইকের পর এবার সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সস্তা চার চাকা গাড়ি আনল Bajaj, 35 কিমি মাইলেজ

‘কিউট’ কথার বাংলা অর্থ হল ‘সুন্দর’। জানেন কি এমনই একটি পুচকে সুন্দর কোয়াড্রিসাইকেল আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে বাজারে এনেছিল তাক লাগিয়েছিল বাজাজ অটো (Bajaj Auto)? যার নাম হল – Bajaj Qute। এটি নামেও যেমন, কাজেও তেমন। তবে এতদিন গাড়িটি কেবলমাত্র বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্যই কেনা যেত। যেমন অটো ট্যাক্সি । তবে এবারে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য দেশের যে কোনো নাগরিক এটি কিনতে পারবেন। নতুন হোমোলোগেশন সার্টিফিকেট বলছে, চার চাকাটি প্রাইভেট/নন-ট্রান্সপোর্ট বিভাগেও নথিভুক্ত করা যাবে।

২০১৮ সালেই এই কোয়াড্রিসাইকেলটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য লঞ্চের পরিকল্পনা করেছিল বাজাজ। কিন্তু সে সময় এটি সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এবারে অবশেষে বাজাজ কিউট ব্যক্তিগত এবং পরিবহন নয় এমন ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেল। নতুন বছরে চার চাকার মডেলটিতে বেশ কিছু আপডেটও এসেছে।

2023 Bajaj Qute পরিবর্তন

২০২৩ ভার্সনটির বেসিক ফিচারে বেশ কিছু আপডেট দিয়েছে বাজাজ। যেমন প্রথাগত রোলিং উইন্ডো, এয়ার সার্কুলেশন ইউনিট ইত্যাদি। আবার ইঞ্জিনের আউটপুট ১০.৮ এইচপি থেকে বাড়িয়ে ১২.৮ হর্সপাওয়ার করা হয়েছে। এর ফলে গাড়ির ওজন ১৭ কেজি বেড়ে গিয়েছে। যদিও এটি এখনও কোয়াড্রিসাইকেল গোত্রের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গাড়িটির টপ স্পিড ঘন্টায় ৭০ কিমি বলে আশা করা হচ্ছে।

2023 Bajaj Qute ইঞ্জিন এবং স্পেসিফিকেশন

Qute-এর নয়া মডেলে শক্তি জোগতে একটি হালকা ওজনের ২১৬ সিসি, ৪-ভাল্ভ, ক্লোজড লুপ ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম সহ ওয়াটার-কুল্ড DTSi ইঞ্জিন দেওয়া হয়েছে। এক লিটার পেট্রলে এটি ৩৫ কিলোমিটার মাইলেজ দেবে। ইঞ্জিনটি থেকে ৫,৫০০ আরপিএম গতিতে সর্বোচ্চ ১২.৮ এইচপি এবং ৪,০০০ আরপিএম গতিতে ১৮.৯ এনএম টর্ক উৎপন্ন হবে। মিলের সাথে সংযুক্ত ৫-স্পিড সিকুয়েন্সিয়াল গিয়ারবক্স।

গাড়িটির পেট্রোল ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে ৮ লিটার ফুয়েল ট্যাঙ্ক। আবার সিএনজি জ্বালানির বিকল্পেও গাড়িটি বেছে নেওয়া যায়। এর পাওয়ারট্রেন থেকে ৫,৫০০ আরপিএম গতিতে সর্বোচ্চ ১০.৮৩ এইচপি শক্তি এবং ৪,০০০ আরপিএম গতিতে ১৬.১ এনএম টর্ক উৎপন্ন হয়। এতেও দেওয়া হয়েছে ৫-স্পিড সিকুয়েন্সিয়াল ট্রান্সমিশন। এর সিএনজি সিলিন্ডারের ক্যাপাসিটি ৩৫ লিটার। তবে সিএনজি ভার্সনটি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অফার করা হবে বলে মনে হয় না।

প্রসঙ্গত, এই পুঁচকে কোয়াড্রিসাইকেলটি শহরের রাস্তায় চলাফেরার জন্য আদর্শ। আকারে ছোট হওয়ার জন্য অল্প জায়গাতেও এটি খুব সহজেই পার্ক করা যায়। সূর্যের আলো এবং বৃষ্টি থেকে যাত্রীদের রক্ষা করতে কিউটে উপলব্ধ ফুল কভার এবং উইন্ডো। আবার ১২ ইঞ্চি অ্যালয় রাস্তায় চলার ক্ষেত্রে ভালো গ্রিপ দেয়। শক্তপোক্ত উপাদান দিয়ে তৈরি কাঠামো যাত্রীদের নিরাপত্তা প্রদান করে। উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলি ছাড়াও গাড়িটির সামনে বুট এবং ডুয়েল গ্লাভ বক্স রয়েছে। ২০১৮ সালে লঞ্চের সময় দাম ছিল ২.৪৮ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম)। নতুন আপডেটের সঙ্গে সেটা কিছুটা বাড়বে বলেই অনুমান।

আরও পড়ুন