Mahindra, Tata-র মতো সুরক্ষিত ও নিরাপদ গাড়ি বাজারে এনে দুর্নাম মুছতে মরিয়া Maruti

Maruti Plans Launch New Safe Car

ভারতের যাত্রীবাহী গাড়ির বৃহত্তম সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও সেগুলির সুরক্ষায় জোর না দেওয়ার জন্য মারুতি সুজুকি (Maruti Suzuki)-র বদনাম দীর্ঘদিনের। গ্লোবাল এনক্যাপের ক্র্যাশ টেস্টে কম স্টার পেযে বরাবরই নাম ডুবিয়েছে তাদের নানা মডেল। তবে এবার এই কলঙ্ক ঘোচানোর তাগিদ দেখা দিয়েছে ইন্দো-জাপানি সংস্থার কার্যকলাপে। গাড়ির মজবুতি যাতে আরো বাড়ানো যায় এখন সে দিকেই দৃষ্টি নিক্ষেপ করছে মারুতি সুজুকি। বর্তমানে সংস্থাটি তাদের বহুল জনপ্রিয় Swift-এর আপডেটেড ভার্সন নিয়ে কাজে ব্যস্ত। এই প্রতিবেদনে নতুন প্রজন্মের সুইফ্টের প্রত্যাশিত আপডেটগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

নতুন প্রজন্মের Swift

ইতিমধ্যেই Swift-এর আপডেটেড মডেলটির টেস্টিংয়ের নানা ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। গাড়িটির আপাদমস্তক ক্যামোফ্লেজে মোড়ানো অবস্থায় থাকার ফলে ডিজাইনের খুঁটিনাটি এখনও পর্দার আড়ালেই রয়েছে। তবে নতুন মডেলটির বহিরঙ্গে বেশ কিছু অদল-বদল হবে বলেই অনুমান। যেমন নতুন হেডল্যাম্প সেট, ভিন্ন স্টাইলের অ্যালয় হুইল, নয়া বাম্পারের সংযোজন। গাড়িটির সার্বিক ডিজাইনেও চমক থাকতে পারে।

অন্যান্য হাইলাইটের মধ্যে গাড়িটির পেছনের দরজার হ্যান্ডেলের অবস্থান প্রথাগত স্থানেই দেখা মিলেছে। তবে বাজার চলতি মডেলটির সি-পিলারে ডোর হ্যান্ডেলটি অবস্থিত। এছাড়াও, নতুন গাড়িটির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের গুণগত মান উন্নত করা হতে পারে। এতে প্রিমিয়াম হ্যাচব্যাক Baleno-র বিভিন্ন ফিচার দেওয়া হতে পারে বলেই সূত্রের খবর। যেমন চালকের সুবিধার জন্ হেডআপ ডিসপ্লে, ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা পার্কিং, কানেক্টেড কার টেকনোলজি সহ একটি ৯ ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম সহ আরও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য।

নতুন প্রজন্মের Swift কি আরও বেশি সুরক্ষিত?

বর্তমান প্রজন্মের মারুতি সুজুকি সুইফ্ট-এ রয়েছে GNCAP-এর থেকে প্রাপ্ত দুই তারার সুরক্ষা রেটিং। নতুন মডেলটি HEARTECT প্ল্যাটফর্মের উপর ভিত্তি করে আসতে পারে। এতে ব্যবহার করা হতে পারে উচ্চ ক্ষমতার স্টিল। যাতে সার্বিকভাবে নিরাপত্তার মান বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও সুরক্ষা জনিত ফিচারগুলির তালিকায় ছ’টি এয়ারব্যাগ, ইএসপি সহ আরও অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের দেখা মিলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, Swift গাড়িটি ডায়নামিক ড্রাইভিং এবং সহজ হ্যান্ডলিংয়ের জন্য অতি পরিচিত। এতে রয়েছে একটি ১.২ লিটার ডুয়েলজেট ইঞ্জিন। যা থেকে ৮৯ বিএইচপি শক্তি এবং ১১৩ এনএম টর্ক উৎপন্ন হয়। নতুন মডেলটিতেও এই একই ইঞ্জিন ব্যবহার করা হতে পারে। ট্রান্সমিশনের প্রসঙ্গে বললে, একটি ৫-স্পিড ম্যানুয়াল এবং অটোমেটিক গিয়ারবক্স – এই দুই অপশনে বেছে নেওয়া যায় গাড়িটি।

নতুন প্রজন্মের Swift দাম ও লঞ্চের সময়কাল

সুজুকি তাদের নতুন প্রজন্মের সুইফ্ট ইউরোপের বাজারেও লঞ্চ হতে পারে। কারণ সেখানেও গাড়িটি টেস্টিং করতে দেখা গিয়েছে। এরপর ভারতের বাজারে পা রাখতে পারে এটি। আশা করা হচ্ছে সামনের বছর দ্বিতীয়ার্ধে এদেশে লঞ্চ হবে গাড়িটি। বাজার চলতি মডেলটি থেকে নতুন ভার্সনের দাম কতটা বৃদ্ধি পাবে তা নির্ভর করছে এতে উপস্থিত আপডেটের উপর। এর দাম ৫০,০০০ টাকা দাম বাড়ানো হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।