আবেগ ফিরছে নয়া রূপে, আইকনিক Bullet এর নতুন মডেল খুব শীঘ্রই লঞ্চ করবে Royal Enfield

ভারতবর্ষের দুই চাকার বাজারকে আরো ভালোভাবে নিজেদের বশে আনতে এবং আন্তর্জাতিক মানচিত্রে নিজেদের সুপ্রতিষ্ঠিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে রেট্রো বাইক নির্মাতা রয়্যাল এনফিল্ড (Royal Enfield)। ৩৫০সিসি থেকে শুরু করে ৬৫০ সিসি সবক্ষেত্রেই কোনও না কোনও নতুন বাইক আনার ছক করেছে তারা। আগস্টে আমরা তাদের নতুন রোডস্টার মোটরসাইকেল হান্টার ৩৫০ (Hunter 350) লঞ্চ হতে দেখেছি। তারপর সম্প্রতি মিলান এবং ক’দিন আগে গোয়ার রাইডার ম্যানিয়াতে আত্মপ্রকাশ করেছে সুপার মিটিওর ৬৫০ (Super Meteor 650) ক্রুজার।

এখানেই শেষ নয়, ৬৫০ সিসি ইঞ্জিনের সঙ্গে স্ক্র্যাম্বলার স্টাইলের শটগান ৬৫০ (Shotgun 650) লঞ্চ করবে রয়্যাল এনফিল্ড। তার পাশাপাশি Continental GT 650 এর সেমিফেয়ারিংযুক্ত মডেলেরও আসার সম্ভাবনা প্রবল। এটি আপনাকে ৮০-র দশকের রেসিং বাইকগুলির কথা মনে করাবে। পরিশেষে বলা ভালো Continental GT 650Interceptor 650 বাইক দুটির আপডেটের সংস্করণের জল্পনাও শোনা যাচ্ছে চারপাশে। এই সবকটি মডেলের বিভিন্ন সময়েই টেস্টিং করার ছবি ধরা পড়েছে স্পাই ক্যামেরায়।

ভারতের বাজারে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকেই বিক্রি শুরু হবে সুপার মিটিয়র ৬৫০ এর। এছাড়াও এই বাইকটির সঙ্গে মিলবে একগুচ্ছ সংস্থা প্রস্তুত অ্যাক্সেসরিজ। অন্যদিকে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ভারতের অলিগলি দাপিয়ে বেড়ানো বুলেট ৩৫০ (Bullet 350) বাইকের খোলনলচে বদলাতে চলেছে তারা। আগামী বছরেই বুলেট ৩৫০-র নব প্রজন্মের মডেল লঞ্চ হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই বাইকটির বিভিন্ন টেস্টিং ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বুলেট ৩৫০-র বর্তমান সংস্করণটি এই মুহূর্তে চেন্নাইয়ের এই সংস্থার সবচেয়ে কম দামি মোটরসাইকেল। হান্টার ৩৫০-র দাম তুলনামূলকভাবে সামান্য বেশি। সেই কারণেই আগামীতে আগত বুলেটের নতুন সংস্করণে আধুনিক ডিজাইন, নানাবিধ বৈশিষ্ট্য ও স্পেসিফিকেশন এর পরিবর্তন সত্বেও এই “কম দামি” তকমাটি ধরে রাখতে পারবে বলেই আশা করা যায়।

নতুন ভার্সনে ডবল ক্রেডেল চ্যাসিস সহ সংস্থার নয়া ‘J’ প্ল্যাটফর্মের ৩৪৯ সিসির সিঙ্গেল সিলিন্ডার যুক্ত এয়ার/অয়েল কুল্ড ইঞ্জিন থাকবে বলে জানা গিয়েছে। যা সর্বোচ্চ ২০.২ বিএইচপি ক্ষমতা ও ২৭ এনএম টর্ক উৎপাদন করতে সক্ষম। সাথে থাকবে পাঁচ গতির ট্রান্সমিশন সিস্টেম।

রয়্যাল এনফিল্ড বুলেট ৩৫০-র নতুন মডেলে ক্লাসিক ৩৫০ এর বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত করা যাবে। যেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য সিঙ্গেল চ্যানেল এবিএস সহ উভয় চাকায় থাকা ডিস্ক ব্রেক সিস্টেম। বাইকটির সামনে ও পিছনে ক্রোম কাজ যুক্ত হ্যালোজেন হেডল্যাম্প ও টেলল্যাম্প দেওয়া হযবে। এছাড়াও হ্যালোজেন বাল্ব যুক্ত টার্ন ইন্ডিকেটর, সুইচ গিয়ার, টিউবুলার গ্র্যাব রেল, আপ রাইট হ্যান্ডেলবার, টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক, টুইন সাইডেড রিয়ার সক, স্পোক ও টিউব যুক্ত চাকা এবং আরো অনেক কিছুই থাকবে এতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *