বাজাজ পালসার ১৫০ নাকি টিভিএস অ্যাপাচি ১৬০: জনপ্রিয় বাইকদুটির মধ্যে কে এগিয়ে জানুন

বর্তমানে প্রিমিয়াম অত্যাধুনিক মোটরসাইকেলের জগতে বাজাজ এবং টিভিএস দুটি অতিজনপ্রিয় কোম্পানি হিসেবে উঠে এসেছে। তবে এই জনপ্রিয়তার পিছনে যে দুটি বাইককের অবদান বেশি সেগুলি হল বাজাজ পালসার ১৫০ এবং টিভিএস অ্যাপাচি ১৬০। এখনকার দিনে মানুষ আগের তুলনায় বেশি সচেতন হয়ে উঠছে। তাই পছন্দের ১৫০ অথবা ১৬০ সি.সি এর বাইক কেনার আগে তারা বিচার বিবেচনা করেন যে কোনটি তাদের জন্য বেশি লাভজনক হবে। আজ আমরা আলোচনা করতে চলেছি Bajaj Pulsar 150 এবং TVS Apache 160 জনপ্রিয় দুটি বাইকের বৈশিষ্ট্য এবং তাদের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে।

পাওয়ার :

Bajaj Pulsar 150 তে ১৪৯.৫০ সিসি এর ইঞ্জিন দেওয়া হয়েছে, যা ১৪ পিএস এর পাওয়ার প্রদান করে। সেখানেই TVS Apache 160 তে দেওয়া হয়েছে ১৫৯.৭ সিসি এর ইঞ্জিন , যা ১৫.৫৩ পিএস পাওয়ার প্রদানে সক্ষম।

সাইজ :

পালসার ১৫০, ২০৫৫ মিলিমিটার লম্বা এবং ৭৬৫ মিলিমিটার চওড়া, উচ্চতাতে ১০৬০ মিলিমাটার উঁচু এবং এটির গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৫ মিলিমিটার। সেখানেই টিভিএস অ্যাপাচি ১৬০ , ২০৮৫ মিলিমিটার লম্বা এবং ৭৩০ মিলিমিটার চওড়া। এর উচ্চতা ১১০৫ মিলিমিটার যার সাথে গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়েছে ১৮০ মিলিমিটার।

পুল ট্যাঙ্ক এবং ওজন :

বাজাজ পালসার এর পুল ট্যাঙ্ক ১৫ লিটার এর, সেখানে টিভিএস অ্যাপাচি তে দেওয়া হয়েছে ১২ লিটারের পুল ট্যাঙ্ক। পালসারের ওজন ১৪৮ কেজি। সেখানেই টিভিএস অ্যাপাচি ১৩৯- ১৪০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে।

চাকা, টায়ার ও ব্রেক :

বাজাজ এবং টিভিএস এই দুই বাকের চাকাই ১৭ ইঞ্চি এবং নলবিহীন টায়ারযুক্ত। ব্রেকিং সম্পর্কে কথা বললে পালসার ১৫০ এর সামনের দিকে ২৬০ মিলিমিটার ডিস্ক এবং পিছনে ১৩০ মিলিমিটার ড্রাম ব্রেক রয়েছে। সেখানেই অ্যাপাচি ১৬০ এর সামনের দিকে ২৭০ মিলিমিটারের ডিস্ক ব্রেক দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে, পিছনের ড্রাম ভ্যারিয়েন্টে ১৩০ মিমি ড্রাম ব্রেক এবং ডিস্ক ভ্যারিয়েন্টে ২০০ মিমি ডিস্ক ব্রেক দেওয়া হয়েছে। দুটি বাইক ই এবিএস দিয়ে সজ্জিত।

রঙের বিকল্প:

টিভিএস অ্যাপাচির ৬ টি বিকল্প রয়েছে। বিকল্পগুলি হল পার্ল হোয়াইট, ম্যাট ব্লু, গ্লস রেড, গ্লস ব্ল্যাক, টি গ্রে এবং ম্যাট রেড। একই সময়ে, পালসারে রয়েছে কেবল মাত্র দুটি বিকল্প, যা হল কালো ধূসর এবং কালো লাল।

মূল্য :

বাজাজ পালসার ১৫০ এর দাম রাখা হয়েছে ৯৬ হাজার ৯৬০ টাকা । টিভিএস অ্যাপাচি এর ড্রাম ব্রেক ভ্যারিয়েন্টের দাম ৯৭ হাজার টাকা এবং ডিস্ক ভ্যারিয়েন্টের দাম ১ লাখ টাকা। ড্রাম ব্রেকের ভ্যারিয়েন্টের উপর নির্ভর করে উভয় বাইকের দাম প্রায় সমান বলা চলে।

টেকগাপের মেম্বাররা ও সদ্য যোগ দেওয়া লেখকরা এই প্রোফাইলের মাধ্যমে টেকনোলজির সমস্ত রকম খুঁটিনাটি আপনাদের সামনে আনে।