স্কুল, কলেজ সব বন্ধ! অনলাইনে পড়াশোনার সুবিধা দেবে BSNL

সরকারি টেলিকম কোম্পানি বিএসএনএল কে এতদিন আমরা টেলিকম ও ব্রডব্যান্ড পরিষেবা দিতে দেখেছি। কিন্তু এবার একটি নতুন পরিষেবা নিয়ে হাজির হচ্ছে ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড। শনিবার BSNL ঘোষণা করেছে তারা তাদের ব্রডব্যান্ড গ্রাহকদের জন্য অনলাইন এডুকেশন প্ল্যাটফর্ম নিয়ে হাজির হচ্ছে। আসলে করোনা মহামারীর কারণে এইমুহূর্তে স্কুল, কলেজ সব বন্ধ। এইমতো পরিস্থিতিতে বিএসএনএল চাইছে গ্রাহকদের অনলাইনে পড়াশুনার সুযোগ করে দিতে। এরজন্য কোম্পানি বিভিন্ন অনলাইন এডুকেশন প্ল্যাটফর্মের সাথে কথা বলছে।

কোম্পানির এই সুবিধা পাবে ভারত ফাইবার ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীরা। বিএসএনএল এর বিশ্বাস অনলাইন এডুকেশন সিস্টেমে গড়ে তুলতে তাদের প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো আছে। যেহেতু বিএসএনএল ভারত ফাইবার দেশের প্রায় সর্বত্র বিস্তৃত, তাই অনলাইন এডুকেশন সিস্টেম আনলে অনেক গ্রাহক উপকৃত হবেন বলে মনে করছে কোম্পানি।

বিএসএনএল বোর্ডের পরিচালক সিএফএ বিবেক বঞ্জাল বলেছেন, “যেহেতু সমাজের বৃদ্ধির জন্য মৌশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই, তাই আমরা বাজারে উপলভ্য বিভিন্ন অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীকেঅনলাইনে শিক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

এদিকে BSNL নিজের নেটওয়ার্কের সাইটগুলিকে ৪জি-তে আপগ্রেড করার জন্য জনপ্রিয় কোম্পানি জেডটিই এবং নোকিয়ার সাথে হাত মিলিয়েছে। এখনো অব্দি জানা খবর অনুযায়ী, আনুমানিকভাবে ৪৯,৩০০ সাইট আপগ্রেড হতে চলেছে, যার দাম প্রায় ২,৩০০ কোটি টাকা।

বিএসএনএল জানিয়েছে যে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলির সাহায্য নিয়ে যদি এই নেটওয়ার্ক আপগ্রেড করা হয় তাহলে অনেক সময় লাগবে। এই ক্ষেত্রে নোকিয়া এবং জেডটিই সবথেকে ভাল বিকল্প হতে চলেছে বিএসএনএলের কাছে। বিএসএনএলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ২জি এবং ৩জি সাইটগুলিকে ৪জি-তে পরিবর্তন করার জন্য নূন্যতম ৬ মাস সময় লাগে। কিন্তু যদি টেন্ডারের মাধ্যমে এই কাজটি করা হতো তাহলে কম করে হলেও ১৮-২০ মাস সময় লাগতো। তাই সরাসরি Nokia এবং ZTE কে নিযুক্ত করছে বিএসএনএল।