কেন্দ্র ও রাজ্যের নির্দেশ অমান্য, রিচার্জ না করলে চলছে না টিভি

cable-and-dth-services-no without-recharge

গত ২৪ মার্চ থেকে সারা ভারতে লকডাউন জারি করে প্রধানমন্ত্রী। ফলে ঘরবন্দি হয়ে পরে মানুষ। সময় কাটাতে তারা হাতে তুলে নেয় স্মার্টফোন এবং চোখ রাখে টিভির পর্দায়। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী সমস্ত কেবল অপারেটর কে নির্দেশ দেয়, তারা যেন বিনামূল্যে একমাস পরিষেবা দিয়ে যায়। কিন্তু কে শোনে কার কথা? এ যেন দুর্যোগে নিজের আখের গোছানোর গল্প।

টেকগাপ কে অনেকেই অভিযোগ করে, রিচার্জ না করলে তাদের টিভি চলছে না। তাই মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ ভিত্তিহীন। এরপর টেকগাপ আশেপাশে খবর নিয়ে জানতে পারে স্থানীয় কেবল অপারেটররা রিচার্জ ছাড়া কোনো পরিষেবা দিচ্ছে না। সমস্ত গ্রাহককে রিচার্জের ভ্যালিডিটি শেষ হওয়ার আগেই মেসেজ পাঠাতে শুরু করেছে তারা। এবং নিয়ম মেনেই ভ্যালিডিটি শেষ হওয়ার দিন পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে কেবল ডিসটিভি গ্রাহকরা বিনামূল্যে পরিষেবা পেলেও অন্যান্য ডিটিএইচ গ্রাহকদের পরিষেবা চালিয়ে যেতে রিচার্জ শেষ হওয়ার দিনই রিচার্জ করতে হচ্ছে। ফলত স্পষ্ট কেন্দ্র ও রাজ্যের কোনো নির্দেশই পালন করছে না কেবল ও ডিটিএইচ অপারেটররা। বরং যেহেতু মানুষ এখন টিভিই বেশি দেখছে তাই বার বার তাদের মেসেজ পাঠিয়ে রিচার্জ করানোর চেষ্টা করছে বেশিরভাগ অপারেটর। আসলে তারা তাদের ব্যবসায় কোনো রকম লোকসান চায়না। কিন্তু যেখানে মহামারীর কারণে দেশ সংকটের মুখে সেখানে অপারেটরদের অল্প ত্যাগ কি খুব ক্ষতির মুখে ফেলে দিতো? তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে গেল।

প্রসঙ্গত গত ১১ এপ্রিল কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক সমস্ত সম্প্রচার সংস্থা, ডিটিএইচ ও কেবল অপারেটরদের চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করেছিল পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার। করোনা পরিস্থিতিতে সবাই কে ঘরে রাখার জন্য দেশের স্বার্থে সম্প্রচার সংস্থা, ডিটিএইচ ও কেবল অপারেটরদের এই কাজ করা উচিত বলে মন্ত্রক মনে করেছিল। এমনকি রাজ্যগুলিকেও পরিষেবা সচল রাখার ব্যাপারে নজর রাখতে বলা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি জানান দিচ্ছে, সব নির্দেশ কেবল নির্দেশ হয়েই রয়ে গেছে। পরিষেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ মানুষ।

টেকগাপের মেম্বাররা ও সদ্য যোগ দেওয়া লেখকরা এই প্রোফাইলের মাধ্যমে টেকনোলজির সমস্ত রকম খুঁটিনাটি আপনাদের সামনে আনে।