5G এর কারণে ছড়াচ্ছে করোনা! ভিত্তিহীন বলে গুজব ওড়ালো রাষ্ট্রসংঘ

সমাজে ছড়িয়ে পড়া গুজব রুখতে এবার আসরে নামতে হল রাষ্ট্রসংঘ কে। আজ রাষ্ট্রসংঘের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এজেন্সি জানিয়ে দিল, কোভিড -১৯ প্রসারে লেটেস্ট হাই-স্পিড ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি 5G এর কোনও ভূমিকা নেই। ফাইভজি এর দ্বারা সমাজে করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তা গুজব ছাড়া আর কিছু নয় এবং এর কোনও প্রযুক্তিগত ভিত্তি নেই।

আপনাকে জানিয়ে রাখি কোভিড -১৯ মহামারী বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পর থেকে আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন সহ বেশ কয়েকটি দেশে ফাইভজি নেটওয়ার্ক টাওয়ার জ্বালিয়ে দেওয়া হয় এবং ফাইভজি ইনস্টলেশনের জন্য ফাইবার অপটিক কেবলে কাজ করা শ্রমিকদেরও হেনস্থা করে।

ইউএন নিউজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, এই গুজবে সায় দিয়ে কয়েক ডজন টাওয়ারকে ব্রিটেনে টার্গেট করা হয়েছিল এবং সেগুলিকে নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক টেলিযোগযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) মুখপাত্র মনিকা গেহনার বুধবার ইউএন নিউজকে বলেছেন যে, 5G এবং কোভিড -১৯ এর মধ্যে সংযোগ সম্পর্কিত গুজবের কোনও প্রযুক্তিগত ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, ‘রেডিও তরঙ্গ দ্বারা করোনা ভাইরাস ছড়ায় না। এই মহামারী চলাকালীন যেখানে প্রধান চিন্তা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক সঙ্কট সম্পর্কে হওয়া উচিত, সেখানে লজ্জার বিষয় এই যে মিথ্যা গুজবের বিরুদ্ধে আমাদের সময় বা শক্তি ব্যয় করতে হচ্ছে।’ ফাইভজি হল পরবর্তী প্রজন্মের সেলুলার প্রযুক্তি, যা বর্তমান ফোরজি নেটওয়ার্কের চেয়ে ১০ থেকে ১০০ গুণ দ্রুত ডাউনলোডের গতি দেবে।

ফাইভজি টাওয়ার জ্বলানোর ঘটনা সামনে আসার পরে ব্রিটেন সরকারের পক্ষ থেকেও টুইট করে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং ৫জি প্রযুক্তির মধ্যে কোনও যোগসূত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই দাবিটিও সত্য প্রমাণিত হয় নি, কারণ করোনা ভাইরাস ভারত, ইরান এবং জাপানের মতো দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে ৫জি প্রযুক্তি এখনও চালু হয়নি।

টেকগাপের মেম্বাররা ও সদ্য যোগ দেওয়া লেখকরা এই প্রোফাইলের মাধ্যমে টেকনোলজির সমস্ত রকম খুঁটিনাটি আপনাদের সামনে আনে।