মাসে অন্তত একদিন সরকারি পরিবহন ব্যবহারের আর্জি এই রাজ্যের মানুষকে, কিন্তু কেন?

delhi-governments-ask-to-use-public-transport-once-in-a-month-for-this-reason

দেশে পরিবেশ দূষণের প্রসঙ্গ উঠলে প্রথমেই যে রাজ্যের নামটি শিরোনামে স্থান পায় তা হচ্ছে রাজধানী দিল্লি। দূষণ কমাতে পূর্বে একাধিক নতুন পদ্ধতি বলবৎ করেছে দিল্লির রাজ্য সরকার। পরিবেশে দূষণের মাত্রা হ্রাস করতে এবার আরো এক নতুন পন্থার কথা জানালো দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়া। স্বাস্থ্যকর এবং দূষণমুক্ত পরিবেশের জন্য প্রত্যেক রাজ্যবাসীর কাছে প্রতি মাসে অন্তত একদিন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করা এবং ট্রাফিক সিগনালে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ রাখার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বাতাসের মান উন্নত করতে রাজ্যের যুব সম্প্রদায়ের প্রতি এই সামান্য পদক্ষেপটি নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

রাহগিরি ফাউন্ডেশনের সাথে যৌথ উদ্যোগে দিল্লি সরকারের ডায়লগ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কমিশনের একদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখাকালীন সিসৌদিয়া রাজ্যবাসীকে ‘দূষণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ অভিযানে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। ক্রমশ বেড়ে চলা পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। দিল্লিকে দূষণমুক্ত করতে রাজ্যের প্রত্যেক বাসিন্দাকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন সিসৌদিয়া।

গাড়ির বদলে পায়ে হেঁটে অথবা সাইকেল চালিয়ে অথবা সরকারি পরিবহন ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছেন সিসৌদিয়া। এই ছোট্ট পদক্ষেপটি গ্রহণের মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যকর দিল্লির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারি বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাথে তিনি এও জানান, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে রাজ্যের দূষণ কমানো সম্ভব। সিসৌদিয়া এই প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, রাজ্যের পরিবেশ দূষণের মাত্রা কমানো যেমন স্থানীয় সরকারের কর্তব্য পাশাপাশি প্রত্যেক বাসিন্দার কর্তব্য এ বিষয়ে এগিয়ে আসা এবং পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেষ্ট হওয়া।

গতকাল রবিবার সকালে দিল্লির প্রতাপগঞ্জে রাহগাড়ি অনুষ্ঠানে বিএসইএস যমুনা পাওয়ার লিমিটেড অফিস এবং সর্বদয়া কন্যা/বাল বিদ্যালয়ের মধ্যবর্তী রাস্তাটিকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ যানবাহন মুক্ত সড়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই প্রসঙ্গে ডিডিসি-র ভাইস চেয়ারপার্সন জাস্মিন শাহ (Jasmine Shah) বলেছেন, “এই অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য হল রাজ্যের মানুষকে যানবাহনবিহীন একটি রাস্তার অভিজ্ঞতা দেওয়া এবং এতদিনের চলে আসা অভ্যাস ও আচরণে পরিবর্তন আনা।”

টেকগাপের মেম্বাররা ও সদ্য যোগ দেওয়া লেখকরা এই প্রোফাইলের মাধ্যমে টেকনোলজির সমস্ত রকম খুঁটিনাটি আপনাদের সামনে আনে।