কোনো নথি না নিয়ে গেলেও হবে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন, ডিজিলকার কে মান্যতা দিল সরকার

digilocker-can-be-use-for-passport-verification

প্রযুক্তির হাত ধরে একেরপর এক বিপ্লব ঘটেছে সরকারি ব্যবস্থায়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ব্যবস্থার অবসান হয়েছে নানা ক্ষেত্রে। সেই প্রযুক্তির হাত ধরেই এবার আরও একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। ভারতীয় নাগরিকদের পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে তারা নতুন “Passport seva programme” চালু করেছে, যার মাধ্যমে পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারীরা ডিজিলকার অ্যাপের (Digilocker) মাধ্যমে পাসপোর্ট যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন। আসল নথি বহন করার কোনো প্রয়োজনই পড়বেনা৷

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরলীধরণ এই পেপারলেস প্রোগ্রামটি উদ্বোধন করেছেন। এই নতুন প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তির ফলে পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার কাজ যেমন অনেক সহজ হবে, তেমনই গোটা প্রক্রিয়াটি আগের চেয়ে গতিশীল হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, “গত ৬ বছরে ভারতীয়দের বিদেশ সফরের সংখ্যায় বিরাট পরিবর্তন এসেছে৷ ২০১৭ সাল থেকেই প্রতিমাসে এক মিলিয়নের বেশি সংখ্যক মানুষ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছেন। মন্ত্রীর আরও দাবি, ইতিমধ্যেই ৭ কোটিরও বেশি মানুষ এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে পাসপোর্ট হাতে পেয়েছেন।”

মন্ত্রী আরো বলেছেন যে, সরকার পাসপোর্টকে Digilocker অ্যাপের মধ্যে একটি নথি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে, যা নাগরিকদের যখন খুশি তাদের পাসপোর্টের তথ্য পেতে সাহায্য করবে।

DigiLocker অ্যাপটি ভারতের ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের একটি আবিষ্কার, যা নাগরিকদের “ডিজিটাল ক্ষমতায়ন” এবং ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি নথির অ্যাক্সেস পেতে সাহায্য করে। এই অ্যাপের মাধ্যমে সংরক্ষিত ডিজিটাল ডকুমেন্টগুলি আসল নথির সমতুল্য। আধার, প্যান, ড্রাইভিং লাইসেন্সের মত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি এর মাধ্যমে আপনি ব্যবহার করতে পারেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি মুরলীধরণ আরও বলেছেন যে, তারা নাগরিকদের জন্য ই-পাসপোর্ট চালু করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই ই-পাসপোর্ট আগের তুলনায় আরও সুরক্ষিত হবে। পাশাপাশি পাসপোর্টে রেকর্ড করা তথ্যের কারচুপিও ঠেকানো যাবে। মন্ত্রীর বিশ্বাস এই পাসপোর্ট জালিয়াতির সম্ভাবনাও সীমিত করবে এবং পরবর্তীতে এর সাথে বায়োমেট্রিক পরিচয় যুক্ত করে বিমানবন্দরে দ্রুত চেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

হোয়াটসঅ্যাপে খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন