Facebook Data Leak: সাবধান, ৫৩৩ মিলিয়ন ফেসবুক ইউজারের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস

facebook-data-leak-553-million-users-personal-details-posted-online

একটি বড়সড় ডেটা প্রাইভেসি ব্রিচের দরুন ১০৬টি দেশের প্রায় ৫৩৩ মিলিয়ন ফেসবুক (Facebook) ইউজারের ব্যক্তিগত তথ্য, নিম্ন স্তরের হ্যাকিং ফোরামগুলিতে ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে; এর মধ্যে, কয়েক লক্ষ ভারতীয় ইউজারও এই ঘটনার শিকার হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিজনেস ইনসাইডারের মতে, ফাঁস হওয়া ব্যক্তিগত তথ্যের মধ্যে ইউজারের পুরো নাম, ফেসবুক আইডি, জন্ম তারিখ, লোকেশন, বায়ো, ফোন নম্বর এমনকি ইমেল আইডির মত তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গতকাল অর্থাৎ শনিবার সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম হাডসন রক (Hudson Rock)-এর মুখ্য প্রযুক্তি আধিকারিক অ্যালন গাল, Facebook সংক্রান্ত এই ডেটা কেলেঙ্কারির কথা সামনে আনেন। গাল জানান যে ফেসবুকের সুরক্ষা ব্যবস্থায় কোনো ফাঁক থাকার ফলে হ্যাকার ফোরামে ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি ইউজারের তথ্য বিনামূল্যে উপলব্ধ হয়েছে। এক্ষেত্রে হ্যাকাররা এই সব তথ্য ব্যবহার করে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণ চালাতে পারে বলে গালের অভিমত। তাছাড়া এই ডেটা সেট থেকে সহজেই যেকেউ, অন্য কোনো ফেসবুক ইউজারের ফোন নম্বর সার্চ করতে পারে এমন সম্ভাবনা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যদিও কীভাবে এই সমস্ত ডেটা সামনে এল সেই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কিছুই খোলসা করে বলেনি ফেসবুক।

জানিয়ে রাখি, যে সমস্ত দেশের ইউজারদের ফেসবুক ডেটা ফাঁস হয়েছে তার মধ্যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নাম রয়েছে; এই দেশগুলির যথাক্রমে ৩২ মিলিয়ন এবং ১১ মিলিয়ন ইউজার ডেটা প্রকাশ্যে এসেছে। অন্যদিকে ভারতে ৬ মিলিয়নেরও বেশি ইউজারের তথ্য ফাঁস হয়েছে। ফাঁস হয়েছে পড়শি দেশ বাংলাদেশের ইউজার ডেটাও। এছাড়া এই তালিকায় অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আফগানিস্তান, প্যালেস্তাইনের মত বড় বড় দেশেরও নাম রয়েছে।

প্রসঙ্গত, Facebook প্রথমবার এই ধরণের কেলেঙ্কারির মুখে পড়েছে এমন নয়! এর আগে ২০১৯ সালেও এটির ব্যক্তিগত ডেটাবেস লিক হয়েছিল যা ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম (Telegram)-এ ২০ ডলারের বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরে গত জুনেও এই ধরণের একটি দুর্ঘটনার কথা আমাদের সামনে আসে। এমনকি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই ফের ফেসবুক ডেটা ফাঁস হয়; ওই সময়েও কেলেঙ্কারির কথা সামনে আনেন অ্যালন।

হোয়াটসঅ্যাপে খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন

A person who enjoys creating, buying, testing, evaluating and learning about new technology.