কমার্শিয়ালের পাশাপাশি প্রাইভেট চার চাকার গাড়িও বৈদ্যুতিক জ্বালানি নির্ভর করতে তৎপর কেন্দ্র

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রাইভেট চার চাকার গাড়ির ৩০%, কমার্শিয়াল গাড়ির ৭০% এবং দুই ও তিন চাকার গাড়ির ৮০% হবে বৈদ্যুতিক জ্বালানি নির্ভর

government-plans-30-percent-ev-sales-for-private-cars-by-2030-nitin-gadkari

আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের বেশিরভাগ গাড়ি বৈদ্যুতিক (EV) জ্বালানি নির্ভর করার লক্ষ্যমাত্রার কথা জানালো কেন্দ্রীয় সরকার। গতকাল এই মর্মে একটি ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গডকরি (Nitin Gadkari)। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রাইভেট চার চাকার গাড়ির ৩০%, কমার্শিয়াল গাড়ির ৭০% এবং দুই ও তিন চাকার গাড়ির ৮০% হবে বৈদ্যুতিক জ্বালানি নির্ভর।

গডকরি আরও বলেছেন, “আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে যদি ৪০% দুই এবং চার চাকার গাড়ির পাশাপাশি ১০০% বড় গাড়ি যেমন বাসগুলি বৈদ্যুতিক জ্বালানি নির্ভর করা যায় তবে অপরিশোধিত তেলের খরচ বাবদ দেশের ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।” শিল্প সংস্থা FICCI দ্বারা আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল ইভেন্টে তিনি দেশের পরিবেশ দূষণ কমাতে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের উপযোগিতা এবং অর্থনৈতিক সাশ্রয়ের বিষয়ে আলোকপাত করেন। একই সাথে তিনি এও জানান, নীতি আয়োগ দ্বারা অনুপ্রাণিত দেশের ২৫টি রাজ্যের মধ্যে ১৫টি রাজ্য ইতিমধ্যেই বৈদ্যুতিক গাড়ির প্রসঙ্গে একাধিক নীতির ঘোষণা করেছে। মানুষের কাছে বৈদ্যুতিক গাড়িকে অধিক জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে অটোমোবাইল সংস্থাগুলিকে নানান ছাড় ও এর ক্রেতাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সেইসব রাজ্যের সরকার।

একই সাথে এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাঁর স্বপ্নের প্রকল্প দিল্লি থেকে মুম্বাই পর্যন্ত ইলেকট্রিক হাইওয়ে (electric highway) তৈরীর কথা ফের একবার বলেন। এমনকি এটি বাস্তবিক রূপ পেলে বৈদ্যুতিক অতি ভারী ট্রাক এবং যাত্রী পরিবহণকারী বাসগুলির চলাচলের ক্ষেত্রে ভীষণ সুবিধা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আগের এক রিপোর্টে গডকরি বলেছিলেন, ন্যাশনাল হাইওয়ে বরাবর সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রকের আওতাধীন একটি এজেন্সি দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং নেটওয়ার্কের তৈরির বিষয়ে কাজ করে চলেছে, যাতে দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির একটি সুদৃঢ় পরিকাঠামো তৈরি করা যায়।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, এই বিশাল জনসংখ্যার দেশে রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনগুলির প্রাত্যহিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে তৎপর তাঁর দপ্তর। পাশাপাশি দেশের মেট্রো রেল, র‍্যাপিড রেল ট্রানজিট, মনো-রেল, আন্তঃরাজ্য ও দূরপাল্লার বাসগুলি সহ অন্যান্য যানবাহনের উন্নয়নের বিষয়টি অতি তৎপরতার সাথেই দেখা হয় বলেও জানান নীতিন গডকরি।

হোয়াটসঅ্যাপে খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন

টেকগাপের মেম্বাররা ও সদ্য যোগ দেওয়া লেখকরা এই প্রোফাইলের মাধ্যমে টেকনোলজির সমস্ত রকম খুঁটিনাটি আপনাদের সামনে আনে।