ভারত ছাড়ছে Harley Davidson, থাইল্যান্ড থেকে আসবে বাইক

Harley Davidson ভারতে সংস্থার বাইক বিক্রির পরিমান আশানুরূপ না হওয়ায, এদেশ থেকে ব্যবসা গোটানোর কথা ভাবছে।

Harley Davidson
Harley-Davidson may exit India due to poor sales

কোভিড ১৯ এর ফলে বিশ্বজুড়ে চলা অর্থনৈতিক মন্দার কারনে বিক্রিবাটা কমেছে। ফলে বহু সংস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যবসার ঝাপ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। এবার এই পথে হাঁটতে শুরু করলো Harley Davidson। সম্প্রতি দ্য হিন্দুর একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রিমিয়াম টু হুইলার নির্মাতা, Harley Davidson ভারতে সংস্থার বাইক বিক্রির পরিমান আশানুরূপ না হওয়ায, এদেশ থেকে ব্যবসা গোটানোর কথা চিন্তাভাবনা করছে। বলাবাহুল্য, শুধুমাত্র কোভিড মহামারীর জন্য নয়, তার আগের থেকেই এদেশে মোটরবাইক বিক্রির হার খুব একটা সন্তোষজনক ছিল না।

Harley Davidson বেশ কয়েকটি অটোমোবাইল কোম্পানীর কাছে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে, যাতে হরিয়ানার বাওয়ালে সংস্থার যে লিজড অ্যাসেম্বলি ফেসিলিটি আছে সেটি ব্যবহার করে আউটসোর্সিং এর অ্যারেঞ্জমেন্ট করা যায়।

Harley Davidson এখন প্রধানত নর্থ আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়া প্যাসিফিকের একটি অংশ সহ সর্বমোট ৫০ টি মার্কেটকে পাখির চোখ করতে চাইছে। প্রসঙ্গত, কোম্পানীর প্রোডাক্ট বিক্রীর সিংহভাগ এই অঞ্চলগুলি থেকেই আসে।

গত মাসে কোম্পানীর সেকেন্ড কোয়ার্টার রেজাল্ট প্রকাশ করার সময় সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ” যেখানে ইনভেস্টমেন্টের তুলনায় বিক্রীর পরিমান এবং লাভ দুটোই কম, কোম্পানীর ফিউচার স্ট্রাটেজীর অংশ হিসেবে Harley Davidson সেইসব ইন্ট্যারন্যাশনাল মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা মূল্যায়ন করছে।”

Socitey of Indian Automobile Manufacturers (SIAM) এর ডেটা অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থনৈতিক বর্ষে ভারতে সংস্থার মোটরবাইক বিক্রী হয়েছে মাত্র ২,৪৭০ ইউনিট। সেখানে ভারতীয় সংস্থা Royal Enfield এর ২০১৯-২০ অর্থনৈতিক বর্ষে বাইক সেলস হয়েছে ৪২,০০০ ইউনিট।

ভারতবর্ষে সংস্থার পরবর্তী পরিকল্পনা কি এই বিষয়ে দ্য হিন্দুর তরফ থেকে প্রশ্ন করা হলে, হার্লে ডেভিডসন কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করে। তবে কোম্পানীর গ্লোবাল ম্যানেজমেন্টের বার্তায় স্পষ্ট, Harley Davidon এর ভারতে ব্যবসা বন্ধ করা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। যদিও অ্যাসেম্বলি ফেসিলিটি সরালেও, ভারতে হার্লে ডেভিডসন এর বাইক পাওয়া যাবেনা এমনটা নয়। সংস্থাটি থাইল্যান্ড থেকে ভারতে বাইক ইম্পোর্ট করবে। এরজন্য সংস্থার বাইকের দাম ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।