Honda CB300R BS6 বাইক তৈরি হবে ভারতে, পুরনো মডেলের চেয়ে দাম হতে পারে আরও সস্তা

হোন্ডা সিবি৩০০আর এর বিএস-৪ ভার্সনের সর্বশেষ দাম ছিল ২.৪১ লক্ষ টাকা (দিল্লির এক্স-শোরুমের মূল্য)।

honda-cb300r-bs6-to-be-locally-produced-in-india-launch-in-january

সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া বাইক উইক’ (India Bike Week)-এ উন্মোচিত হয়েছে Honda CB300R BS6 মোটরসাইকেল। গত বছরের এপ্রিলে পরিবেশ রক্ষায় বেশি কার্যকর ভারত স্টেজ-৬ (বিএস-৬) দূষণ বিধি চালু হওয়ার ফলে এই মাপকাঠি মেনে গাড়ি তৈরি বা বিক্রি প্রত্যেকটি সংস্থার কাছে বাধ্যতামূলক হয়। প্রায় প্রতিটি মডেলের বিএস-৬ ভার্সন বাজারে চলে এলেও, ব্যতীক্রম ছিল Honda CB300R৷ তাই এবার নতুন আপডেটেড বিএস-৬ ইঞ্জিনের সঙ্গে বাইকটি আনতে চলেছে Honda। এমনকি যন্ত্রাংশ জুড়ে তৈরির বদলে এই মোটরসাইকেলের নির্মাণকার্যের পুরোটাই ভারতে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এর ফলে পুরনো মডেলের চেয়ে Honda CB300R BS6 এর দাম আরও হাতের নাগালে আসবে বলেই আশা করা যায়৷

হোন্ডা সিবি৩০০আর এর বিএস-৪ ভার্সনের সর্বশেষ দাম ছিল ২.৪১ লক্ষ টাকা (দিল্লির এক্স-শোরুমের মূল্য)। এখন আসন্ন বিএস-৬ ভার্সনটির দাম কত রাখা হয় সেটাই দেখার। ভারতে টু-হুইলারের দর ক্রমশই বেড়ে চলেছে, এহেন পরিস্থিতিতে স্থানীয়ভাবে তৈরী সিবি৩০০আর নিজের প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে কতটা এগিয়ে থাকে সেদিকেই সবার নজর। এই সেগমেন্টের সমসাময়িক বাইক BMW G 310-র ভারতে দাম ২.৬০ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে KTM 390 Duke-এর মূল্য ২.৮৮ লাখ টাকা। তবে আশা করা হচ্ছে উল্লিখিত বাইকগুলির দামের তুলনায় হোন্ডা সিবি৩০০আর বিএস-৬ এর দর কমই থাকবে।

পাশাপাশি এই বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট, নিও স্পোর্টস ক্যাফে রেসার মোটরবাইকটির নতুন ভার্সনের অভ্যন্তরে কোনো পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে কিনা। এর বিএস-৪ ভার্সনের ২৮৬.৬ সিসি লিকুইড কুল্ড ইঞ্জিন থেকে ৩০ বিএইচপি ও ২৭.৪ এনএম আউটপুট পাওয়া যেত। সে ক্ষেত্রে বিএস-৬ ইঞ্জিনে দূষণসৃষ্টির পরিমাণ কম করতে গিয়ে নতুন হোন্ডা সিবি৩০০আর এর পাওয়ার এবং টর্কের পরিমাণে কিছুটা পড়তি লক্ষ্য করা যেতে পারে। ইঞ্জিনকে যোগ্য সঙ্গত দেবে ৬-গতির গিয়ারবক্স।

এদিকে আসন্ন Honda CB300R BS6 বাইকটি অ্যাসিস্ট এবং স্লিপার ক্লাচ সহ আসতে চলেছে বলে ঘোষণা করেছে সংস্থাটি। সামনে আনার পর মোটরসাইকেলটিতে গোল্ডেন ইউএসডি ফ্রন্ট ফোর্ক দেখা গিয়েছে, আগে যা রুপালি রঙের ছিল। অন্যদিকে এর রেডিয়েটর কভারটি ম্যাট ব্ল্যাক করা হয়েছে। যাই হোক, ২০২২-এর জানুয়ারিতেই বাইকটি লঞ্চ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

শুভদীপ টেকগাপে অটোকার বিষয়ক লেখালিখি করে। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, অটোকার নিয়ে টেকগাপে তার হাতেখড়ি। দিনকে দিন সে টেকগাপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠেছে।