Saturday, December 3, 2022
Homeটেক গাইডE-Shram Card: ই-শ্রম কার্ডের জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? প্রতিমাসে মিলবে ৩০০০ টাকাসহ ২ লাখ টাকার বীমা বিনামূল্যে

E-Shram Card: ই-শ্রম কার্ডের জন্য কীভাবে আবেদন করবেন? প্রতিমাসে মিলবে ৩০০০ টাকাসহ ২ লাখ টাকার বীমা বিনামূল্যে

বর্তমান সময়ে কেন্দ্রীয় সরকার, দেশের নাগরিকদের জন্য একাধিক সুবিধাজনক প্রকল্প পরিচালনা করে থাকে। সেক্ষেত্রে ভারতের বিভিন্ন অসংগঠিত ক্ষেত্রে কর্মরত ব্যক্তি তথা শ্রমজীবী ​​মানুষদের জন্য এবার ভারত সরকার একটি বিশেষ সুবিধা শুরু করেছে। নতুন স্কিম বা সুবিধার অধীনে বিভিন্ন শ্রমজীবী ​​মানুষদের জন্য ই-শ্রম (E-Shram) কার্ড তৈরি করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে শ্রমিক, কারিগর ইত্যাদি জীবিকাধারীরা প্রচুর আর্থিক সুবিধা পাবেন। যেমন, এই কার্ডের মাধ্যমে সহজেই যেকোনো জায়গায় দৈনিক মজুরির কাজ পাওয়া যাবে। আবার এই কার্ডের দরুন ভারত সরকার, অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বীমা কভার দেবে। যেমন, ই-শ্রম কার্ডধারী কোনো কারিগর প্রতিবন্ধী হলে তাকে সরকারের তরফে ১ লাখ টাকা দেওয়া হবে। অন্যদিকে কেউ মারা গেলে তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ২ লাখ টাকা পাবেন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল যে, এই বীমার জন্য শ্রমিকদের এক টাকাও প্রিমিয়াম (বিমা খরচ) দিতে হবে না; প্রধানমন্ত্রী সুরক্ষা বীমা কভারের মাধ্যমে তারা এই পরিষেবা পাবেন।

E-Shram Card-এ রয়েছে পেনশনের সুবিধাও

শুধু বীমার আর্থিক সাহায্যেই সরকারি সুবিধার নেই। বরঞ্চ ই-শ্রম কার্ড থাকলে শ্রমিকরা ৬০ বছর বয়েস পূর্ণ হওয়ার পর প্রতিমাসে ৩,০০০ টাকা করে পেনশন পাবেন। শ্রমিকরা যদি পেনশন পেতে পেতে মারা যান, তবে তাদের বিধবা স্ত্রী মাসিক ১,৫০০ টাকার পেনশন পাবেন। এই সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকার প্রদত্ত সুবিধা ছাড়াও, বিভিন্ন রাজ্য সরকার তার নাগরিকদের ই-শ্রম কার্ডের মাধ্যমে অন্যান্য অনেক সুবিধা দেবে। যেমন একটি রিপোর্ট থেকে জানা গেছে যে, উত্তরপ্রদেশ সরকার সম্প্রতি ই-শ্রমিক কার্ডধারীদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে।

E-Shram Card তৈরির জন্য মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

এত গেল সুবিধার কথা, এখন প্রশ্ন হচ্ছে ই-শ্রম কার্ড তৈরির জন্য কী কী বিষয় প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে বলি, ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদনকারী ব্যক্তির বয়স ১৬ বছর থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে হতে হবে। সাথে অবশ্যই থাকতে হবে আধার (Aadhaar) কার্ড, যেখানে আধারটি ফোন নম্বরের সাথে লিঙ্ক থাকতে হবে। আবার আবেদনকারীর একটি সক্রিয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে যাতে সম্পন্ন থাকতে হবে কেওয়াইসি (KYC)। এছাড়া মনে রাখবেন, যে ব্যক্তি ইতিমধ্যেই ইপিএফও (EPFO), ইএসআইসি (ESIC) বা এনপিএস (NPS)-এর সদস্য, তিনি ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেননা।

কীভাবে E-Shram Card-এর জন্য রেজিস্ট্রেশন করবেন?

উপরে উল্লিখিত বিষয়গুলি মাথায় রেখে আপনি তিনটি উপায়ে ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।

১. এক্ষেত্রে একটি ই-শ্রম কার্ড তৈরি করতে, আপনাকে http://eshram.gov.in লিঙ্কটি খুলতে হবে এবং সেখানে ফর্মের সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে৷

২. আপনি চাইলে বাড়ির নিকটস্থ কমন সার্ভিস সেন্টারে গিয়েও রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন।

৩. আবার রাজ্য সরকারের আঞ্চলিক অফিস মানে প্রতিটি জেলা বা উপ-জেলায় উপস্থিত ব্লক অফিসে গিয়েও ই-শ্রম কার্ডের জন্য আবেদন করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন