LuftCar Flying Car: ২০২৩ সালে ভারতে আসছে ফ্লাইং কার? দাম কত হতে পারে?

LuftCar আগামী ২০২৩-এর মধ্যে নিজেদের Flying Car বাজারে আনার কথা ঘোষণা করেছে

luftcar-flying-car-to-come-in-2023-may-launch-in-india

বিজ্ঞানের জগতে প্রতিদিন নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার হয়ে চলেছে। হালফিলে সর্বাধিক চর্চিত বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে Flying Car। বিশ্বের উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলি আগামী দিনের যানবাহনের তালিকায় এটিকে যুক্ত করতে মুখিয়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ক এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আগামী ২০২৩ সালের মধ্যেই যাত্রী সহ আকাশে উড়বে এই Flying Car। কারণ ইতিমধ্যেই একাধিক দেশ নিজেদের এই উড়ন্ত যানের নির্মাণকার্যে অন্তিম ছোঁয়া দিচ্ছে। এমনকি কয়েকটি সংস্থা ইতিমধ্যেই এর টেস্ট রাইডিং সেরে ফেলেছে। এখন নতুন আরও একটি মার্কিন অটোমোবাইল সংস্থা LuftCar, আগামী ২০২৩-এর মধ্যে নিজেদের Flying Car বাজারে আনার কথা ঘোষণা করল। তবে LuftCar Flying Car আলোচনায় প্রাধান্য পাওয়ার আরও একটি বিশেষ কারণ রয়েছে।

আসলে LuftCar-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও শান্ত সত্য (Santh Sathya) হলেন একজন ভারতীয়। তাঁর লিঙ্কডইন (LinkedIn) প্রোফাইলটি ঘেঁটে জানা গেছে যে তিনি ভারতের তামিলনাড়ুর আন্না বিশ্ববিদ্যালয় (Anna University) থেকে স্নাতক হয়েছেন। পরে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসূত্রে তিনি আমেরিকায় বসবাস শুরু করেন। কাজেই এই ফ্লাইং কারটি চালু হলে আগামী দিনে তা ভারতেও আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

LuftCar Flying Car: স্পেসিফিকেশন

রিপোর্ট বলছে, LuftCar Flying Car-টির সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ৩৫০ কিমি/প্রতি ঘন্টায়। এতে রাখা হতে পারে ৬টি প্রপেলার। উড়ন্ত কারটি সর্বোচ্চ ৪,০০০ ফুট উচ্চতা দিয়ে একবারে ২৪০ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করার সক্ষমতা সহ আসতে পারে। আকাশে ওড়ার পাশাপাশি এটি সমানভাবে রাস্তাতেও চলতে সক্ষম। তবে অবশ্যই তখন ফ্লাইং মডিউলটি বন্ধ রাখতে হবে।

হাইড্রোজেন ফুয়েল দ্বারা চলবে এই Flying Car-টি। ফলে পরিবেশ দূষণের কোনো সম্ভাবনাই নেই। চালক সহ মোট পাঁচ জনের বসার জায়গা থাকতে পারে গাড়িটিতে‌।

LuftCar Flying Car: দাম

এর দাম শুনলে অবাক হতে পারেন অনেকেই। ভারতীয় মুদ্রায় এই ফ্লাইং কারের মূল্য প্রায় ২.৬১ কোটি টাকা রাখা হতে পারে। কাজেই কোনো সংস্থা বা আমির ব্যক্তির পক্ষেই এই গাড়িটি কেনা সম্ভবপর হবে।

শান্ত সত্য উড়ন্ত বাহনটির প্রসঙ্গে বলেছেন, “আগামী দিনে সাধারণ মানুষ একটি ছোট্ট উড়ন্ত গাড়ি কিনবে। শহরের জনবহুল রাস্তা দিয়ে চলার আর প্রয়োজন পড়বে না তাঁদের। ভিড় এড়িয়ে খুব সহজেই যাত্রা করা যাবে।”এমনকি ব্যবসায়িক কাজে এক শহর থেকে আরেকটি শহরে ঝঞ্ঝাটহীনভাবে যাত্রা করা যাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

টেকগাপের মেম্বাররা ও সদ্য যোগ দেওয়া লেখকরা এই প্রোফাইলের মাধ্যমে টেকনোলজির সমস্ত রকম খুঁটিনাটি আপনাদের সামনে আনে।