Motorola বর্ষসেরার খেতাব প্রাপ্ত রঙে সাজিয়ে ফোন লঞ্চ করল, দেখলে চোখ ফেরানো যাবে না

Motorola Edge 30 Fusion Viva Magenta Launched in US

গত সেপ্টেম্বর মাসে, মোটোরোলা (Motorola) বিশ্বের একাধিক বাজারে তাদের Edge 30 Fusion হ্যান্ডসেটটি লঞ্চ করেছিল। আর এবার, স্মার্টফোনটি অবশেষে মার্কিন বাজারে ভিভা ম্যাজেন্টা (Viva Magenta) নামের একটি বিশেষ কালারে পা রেখেছে, যা প্যান্টোন (Pantone)-এর “কালার অফ দ্য ইয়ার ২০২৩”। প্রসঙ্গত, প্যান্টোন প্রতিষ্ঠানটি রঙের দক্ষতার একটি প্রধান উৎস হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত, প্যানটোন কালার ইনস্টিটিউট কালার ইনসাইট এবং সলিউশন প্রদান করে। এই বিষয়ে মটোরোলার অফিসিয়াল প্রেস রিলিজ অনুসারে, প্যানটোন ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে “সারা বছরব্যাপী গ্লোবাল ট্রেন্ড এবং থিম বিশ্লেষণ করে” বছরের সেরা রঙ বেছে নিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে তারা ফ্যাশন থেকে শুরু করে বিপণন, সোশ্যাল মিডিয়া, এমনকি রাজনীতি – সকল দিকই বিবেচনা করে।

প্যানটোন কালার অফ দ্য ইয়ার ২০২৩-এ তে সেজে উঠলো Motorola Edge 30 Fusion

প্রথমেই জানাই, মটোরোলার স্মার্টফোন বিভাগের সাথে প্যানটোনের বিশ্বব্যাপী-এক্সক্লুসিভ পার্টনারশিপ রয়েছে, যার কারণে মোটোরোলা তার স্মার্টফোনগুলির জন্য এই প্যানটোন রঙগুলি ব্যবহার করতে পারে। সদ্য মার্কিন বাজারে আত্মপ্রকাশ করা মোটোরোলা এজ ৩০ ফিউশনের স্পেসিফিকেশনগুলি এর আন্তর্জাতিক সংস্করণগুলির সাথে অভিন্ন, এটি মূলত কালার অপশনের ক্ষেত্রে আলাদা। উল্লেখযোগ্যভাবে, ফোনটি
২০২৩ সালের প্যান্টোন কালারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ওয়াইনটেস্টিং (Winetasting) নামক রঙে সজ্জিত মোটো বাডস ৬০০ এএনসি টিডব্লিউএস ইয়ারবাডের সাথে এসেছে।

মোটোরোলা এজ ৩০ ফিউশন-এর দাম – Motorola Edge 30 Fusion Price

আমেরিকার বাজারে মোটোরোলা এজ ৩০ ফিউশন-এর ভিভা ম্যাজেন্টা কালার ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে ৭৯৯.৯৯ ডলার (প্রায় ৬৫,১৫০ টাকা)। আগ্রহী ক্রেতারা যদি মোটো বাডস ৬০০ এএনসি টিডব্লিউএস ইয়ারবাড ছাড়া স্মার্টফোনটি কিনতে চান তবে এটি ৬৯৯.৯৯ ডলার (প্রায় ৫৭,০০০ টাকা) মূল্যে নেপচুন ব্লু কালার অপশনে উপলব্ধ। এজ ৩০ ফিউশন একটি আনলক করা ফোন হবে যা শুধুমাত্র এটিঅ্যান্ডটি (AT&T) এবং টি-মোবাইল (T-Mobile)-ক্যারিয়ারগুলির সাথে কাজ করবে।

মোটোরোলা এজ ৩০ ফিউশন-এর স্পেসিফিকেশন – Motorola Edge 30 Fusion Price

Motorola Edge 30 Fusion-এ রয়েছে ৬.৫৫ ইঞ্চির সেন্টার্ড পাঞ্চ-হোল ১০-বিট কার্ভড পোলড ডিসপ্লে, যা ২,৪০০ x ১,০৮০ পিক্সেলের ফুল-এইচডি+ রেজোলিউশন, ১৪৪ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং ৩৬০ হার্টজ টাচ স্যাম্পলিং রেট অফার করে। এই প্যানেলের অ্যাসপেক্ট রেশিও ২০:৯, পিক ব্রাইটনেস ১১০ নিট এবং এর নীচে একটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরও রয়েছে। স্ক্রিনটি এইচডিআর১০+ এবং ডিসিআই-পি৩ কালার গ্যামটের ১০০% কভারেজ সাপোর্ট করে। ডিভাইসটি কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ প্লাস চিপসেট দ্বারা চালিত, যার সাথে এলপিডিডিআর৫ র‍্যাম এবং ইউএফএস ৩.১ স্টোরেজ যুক্ত রয়েছে। ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১২ ভিত্তিক কাস্টম স্কিনে রান করে।

ফটোগ্রাফির জন্য, Motorola Edge 30 Fusion-এর ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপের মধ্যে অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন (OIS) সাপোর্ট সহ ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেন্সর, ম্যাক্রো ভিশনের জন্য অটোফোকাস সহ একটি ১৩ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড সেন্সর এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের গভীরতা সেন্সর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে৷ সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য, ফোনের সামনে একটি ৩২ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা বর্তমান।

এছাড়া, Edge 30 Fusion ডিভাইসটি ডুয়েল সিম, ৫জি, ওয়াইফাই ৬, ব্লুটুথ ৫.২, জিএনএসএস, এনএফসি এবং ইউএসবি টাইপ-সি (ইউএসবি ৩.১)-এর মতো কানেক্টিভিটি অপশনগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটিতে ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার রয়েছে যা ডলবি অ্যাটমস সাপোর্ট করে। এই ফোনে আইপি৫২ (IP52) রেটিং এবং ফ্রন্ট ও রিয়ার প্যানেলে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৫-এর সুরক্ষা রয়েছে। পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য, Motorola Edge 30 Fusion ৪,৪০০ এমএএইচ ব্যাটারির সাথে এসেছে, যা ৬৮ ওয়াট ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে।