Renewable Energy: আবর্জনা থেকে বায়ো-সিএনজি, এবং সবুজ জ্বালানি তৈরির ভাবনা পৌরসভার

nagpur-municipal-corporation-to-produce-bio-cng-green-hydrogen-from-garbage

১,০৫০ মেট্রিক টন আবর্জনা থেকে তৈরি হবে প্রাকৃতিক গ্যাস (bio-CNG) এবং পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি (Green Hydrogen), এমনটাই জানালেন নাগপুর মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (Nagpur Municipal Corporation বা NMC)-এর মেয়র শঙ্কর তিওয়ারি। এমনকি এটি বাস্তবায়িত করতে কোনো অর্থিক লগ্নি ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচের প্রয়োজন নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।

এই প্রকল্পের বিষয় তিওয়ারি বলেছেন আগামী এক বছরে এটি সম্পূর্ণ করা হবে। তাঁর কথায়, “নেদারল্যান্ডসের একটি সংস্থা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকড়ীকে বায়ো-সিএনজি প্ল্যান্ট তৈরীর প্রস্তাব দিয়েছিল। সেই সংস্থাকে এনএমসি (NMC) প্রতিদিন ১,০০০ মেট্রিক টন আবর্জনা সরবরাহ করবে। কোম্পানিটি ২৫ একর জমি কিনবে, সেখানে কারখানা গড়বে এবং তা পরিচালনা করবে। এমনকি সেই সংস্থাটি এনএমসি-র সাথে রাজস্ব ভাগ করে নেওয়ার বিষয়েও আশ্বস্ত করেছে।”

একই সাথে চেন্নাইয়ের একটি কোম্পানি ৫০ মেট্রিক টন জঞ্জাল থেকে গ্রিন হাইড্রোজেন প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে ফ্যাক্টরি তৈরি করার পরিকল্পনা করছে। এই প্রসঙ্গে তিওয়ারির প্রতিক্রিয়া, “Neeri-র করা দুটি প্রকল্পের যাচাইকরণ পেয়েছি আমরা। যেগুলি সম্ভাব্য এবং কার্যকর বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রত্যেক দিন তৈরি হওয়া আবর্জনাকে পুনর্ব্যবহার করা হবে। এর ফলে দূষণের মাত্রা কমবে, যার প্রস্তাবনার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।”

তিওয়ারি আরও যোগ করেছেন, “বর্তমানে এনএমসি ৬টি ইলেকট্রিক বাস পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যেই আরও ৪০টি বাসের বরাত দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ মন্ত্রী আদিত্য থ্যাকারে (Aditya Thackeray) ২৩৫টি ই-বাস কিনতে এনএমসি-কে ১৬০ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। সেজন্য আমরা ৩০০টি ইলেকট্রিক বাস চালানোর পরিকল্পনা করছি। চার্জিং এবং সার্ভিস স্টেশন ভান্দেওয়ারির আবর্জনা স্থলে নির্মাণ করা হবে।”

শুভদীপ টেকগাপে অটোকার বিষয়ক লেখালিখি করে। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, অটোকার নিয়ে টেকগাপে তার হাতেখড়ি। দিনকে দিন সে টেকগাপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠেছে।