ওয়ানপ্লাস থেকে হুয়াওয়ে, দেখে নিন এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ৪ টি স্মার্টফোন

স্মার্টফোনকে ঘিরে আমাদের পাগলামি যেমন বাড়ছে তেমনি স্মার্টফোন কোম্পানিগুলো নতুন নতুন ফিচারের ফোন বাজারে আনছে।এখন স্মার্টফোনকে কেবল কথা বলতে বা ইন্টারনেট ঘাঁটতে ব্যবহার করা হয়না।বরং এটির মাধ্যমে ঘরে বসে টিকিট বুকিং বা রিচার্জ সব কিছু করা হয়।আজ আমরা এইমুহূর্তে বিশ্বের সেরা চারটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন সম্পর্কে কথা বলবো, যেগুলো বিক্রি ও পারফরম্যান্সের দিক থেকে অন্য প্রিমিয়াম ফোনগুলোকে হার মানিয়েছে।আসুন জেনে নেই এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা ৪ টি স্মার্টফোনের নাম ও ফিচার সম্পর্কে।

Samsung Galaxy Note 9 :

Samsung Galaxy Note 9 স্মার্টফোনটিতে আপনি পাবেন ৬.৪ ইঞ্চি ডুয়েল কার্ভড সুপার এমোলেড ইনফিনিটি ডিসপ্লে যার স্ক্রিন রেজুলেশন ১৪৪০ x ২৯৬০ পিক্সেলস। ইউএস এর জন্য কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর এবং সারা বিশ্বে Exynos ৯৮১০ অক্টা কোর প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনটিতে শক্তিশালী ৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারী দেওয়া হয়েছে।

Samsung Galaxy Note 9 এর দুটি বিকল্প আছে ৬ জিবি র‍্যাম + ১২৮ জিবি স্টোরেজ এবং  ৮ জিবি র‍্যাম + ৫১২ জিবি স্টোরেজ। ফটোগ্রাফির জন্য ডুয়েল ইমেজ স্টেবিলাইজেশনের সাথে ডুয়েল ১২ এমপি +১২ এমপি রেয়ার ক্যামেরা আছে,যার প্রাইমারি সেন্সরে ডুয়েল Pixel AF এর সাথে এফ/১.৫,/এফ/২.৪ ডুয়েল অ্যাপারচার এবং সেকেন্ডারি সেন্সরে এফ/২.৪ অ্যাপারচার ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও এফ/১.৭ অ্যাপারচারের সাথে ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা আছে।

Huawei Mate 20 Pro :

এই ফোনে ৬.৩৯ ইঞ্চি ফুল এইচডি + ডিসপ্লে আছে।যার স্ক্রিন রেজল্যুশন ১৪৪০×৩১২০ পিক্সেল।ডিসপ্লের আসপেক্ট রেশিও হলো ১৯.৫:৯ এবং স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ৮৬.৯ শতাংশ।এই ফোন কিরিন ৯৮০ প্রসেসরের সাথে লঞ্চ করা হয়েছে ।হুয়াওয়ে মেট ২০ প্রো তে ৬ জিবি ও ৮ জিবি র‌্যাম এবং ১২৮ জিবি ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ বিকল্প আছে।এছাড়া মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে এর স্টোরেজ ৪০০ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

ফটোগ্রাফির জন্য ৪০ (প্রাইমারি লেন্স)+২০ (আল্ট্রা-ওয়াইড লেন্স)+৮ (টেলিফোটো লেন্স)মেগাপিক্সেল তিনটি রিয়ার ক্যামেরা এবং ২৪ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা আছে। ফোনে ৪২০০ এমএএইচ ব্যাটারি আছে।

OnePlus 6T :

এই ফোনে ৬.৪১ ইঞ্চির বড়ো এমোলেড ডিসপ্লে আছে যার স্ক্রিন রেজল্যুশন ২৩৪০ × ১০৮০ পিক্সেল এবং আসপেক্ট রেশিও হলো ১৯.৫:৯। ফোনের হার্ডওয়্যারকেও শক্তিশালী করতে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপসেট প্রসেসর দেওয়া হয়েছে। ফোনটি তিনটি স্টোরেজ মডেলে লঞ্চ হয়েছে ৬ জিবি র‌্যাম/১২৮ জিবি স্টোরেজ, ৮ জিবি র‌্যাম/১২৮ জিবি স্টোরেজ এবং ৮ জিবি র‌্যাম/২৫৬ জিবি স্টোরেজ।

ফটোগ্রাফির জন্য ফোনের সামনে Sony IMX371 সেন্সর EIS এবং এফ/২.০ অ্যাপারচারের সাথে ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা আছে।এছাড়া ফোনের পিছনে ফ্ল্যাশের সাথে ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা রয়েছে।যার প্রথম ক্যামেরাটি হলো Sony IMX519 সেন্সর ও  এফ/১.৭ অ্যাপারচারের সাথে ১৬ মেগাপিক্সেল এবং দ্বিতীয়টি হলো Sony IMX376K সেন্সর এবং এফ/১.৭ অ্যাপারচারের সাথে ২০ মেগাপিক্সেল। এই ফোন ৩৭০০ এমএএইচ ব্যাটারির সাথে লঞ্চ হয়েছে।

Google Pixel 3 :

গুগল পিক্সেল ৩ তে গোরিলা গ্লাস ৫ এর সুরক্ষার সাথে রয়েছে একটি ৫.৫ ইঞ্চির পি – ওএলইডি ডিসপ্লে । স্ক্রিনটির রেজোলিউশন ২১৬০×১০৮০ পিক্সেল এবং আসপেক্ট রেশিও ১৮:৯। পিক্সেল ৩ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর ও অ্যাড্রেনো ৬৩০ জিপিইউ এর সাথে লঞ্চ হয়েছে। ফোনটিতে আছে ৪ জিবি র‌্যাম এবং ৬৪ জিবি/ ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। ফোনটির অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৯.০ পাই ও এতে ২৯১৫ এমএএইচ একটি ব্যাটারি আছে।

পিক্সেল ৩ তে রয়েছে ১২.২ মেগাপিক্সেলের লেন্স যার অ্যাপারচার f/১.৮ । এই ক্যামেরাটিতে রয়েছে অপটিক্যাল ইমেজ স্টেবিলাইজেশন , ডুয়াল পিক্সেল ফেজ-ডিটেক্ট অটো ফোকাস। এই ক্যামেরাটির মাধ্যমে আপনারা ২১৬০ পিক্সেল অবধি ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন। সেলফির জন্য সামনে আছে (৮+৮) মেগাপিক্সেল ডুয়াল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স যা উন্নত মানের লো লাইট ফটোগ্রাফি করতে সক্ষম।

পড়ুন : ১০০০০ টাকার মধ্যে ৪ জিবি র‌্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজের সেরা ফোনগুলির তালিকা

Last Updated on