ফেসঅ্যাপ তো ‘ইউহি বদনাম হে’, গুগলের কাছে আছে আপনার পুরো কুন্ডলী

  

কিছু বছর আগে পর্যন্ত কেউই ডিজিটাল ডেটা লিক কে চিন্তার কারন হিসেবে ধরতো না। কারো কাছেই বিশেষ সমস্যার কারন ছিল না যে তাদের ফোন নং, ইমেল এবং এরমই বহু তথ্য বিভিন্ন মার্কেটিং কম্পানির কাছে আছে। কিন্তু এখন সময়ের পরিবর্তন হয়েছে। এই কিছু দিন আগেই এক ছবি এডিটিং অ্যাপ ভাইরাল হয়েছিল, অ্যাপটির নাম ফেস আপ৷ ফেস অ্যাপ যত তাড়াতাড়ি ভাইরাল হয়েছে, ঠিক সেই বেগেই তার সিকিউরিটি নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে ব্যবহারকারীদের মনে । তবে যদি আপনি একটু লক্ষ্য করেন তবে আপনি বুঝবেন যে এই ফেস অ্যাপ এবং আপনার ফোনের অন্য বহু অ্যাপের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য নেই। চলুন জানা যাক কিভাবে?

আসলে যখনই ব্যবহারকারী কোনো অ্যাপ নিজের ফোনে ইন্সটল করেন তখন অ্যাপ হতে কিছু শর্ত তার সামনে রাখা হয় যা তিনি না পড়েই মেনে নেন। এভাবেই অ্যাপটিকে তিনি বহু ধরনের প্রবেশাধিকার দিয়ে দেন৷ চলুন একটি উদাহরন হিসেবে স্ন্যাপচ্যাট দিয়ে শুরু করি৷ এই অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোন উভয়ের জন্যেই প্রযোজ্য। এবার যদি শর্তের কথা বলি তবে এই অ্যাপ ব্যাবহার করতে কম্পানিকে গ্রাহক এর নিজের ছবি ব্যাবহারের স্থায়ি এবং বিনামূল্যে অধিকার দিতে হবে।

Amazon প্রোডাক্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

এবার ফেস অ্যাপ এর কথায় আসা যাক। রাশিয়ান এই অ্যাপ কেবল 2 বছর পুরানো যা এআই ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকের বার্ধক্যের ছবি প্রদান করে থাকে। সাইবার উকিল আশিতা রিগিডী এর মতে ফেস অ্যাপ এর বিপক্ষ্যে কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি। এই সব ভুয়ো খবর, গ্রাহকের সে বিষয়ে না ভাবাই ভালো বলে তিনি মনে করেন।

কথা যখন ডেটা স্টোর করা বা তার ব্যবহার নিয়ে হচ্ছে তখন এমন অনেক টেক কোম্পানি এই কাজ করছে। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ডেটা আছে গুগল ও ফেসবুকের কাছে। তবে এই কোম্পানিগুলো আপনার ডেটা ডিলিট করার সুযোগ দেয়। সেই জায়গায় ফেসঅ্যাপ থেকে অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার কোনো সুযোগ এখনো নেই।

পড়ুন : 2050 সালে এমন দেখতে হবে ভারতের খেলোয়াড়রা, ভাইরাল হলো ছবি

প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা Whatsapp গ্রুপে যুক্ত হোন আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.

সব খবর পড়তে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন – এখানে ক্লিক করুন