অক্সিজেনের খামখেয়ালিপনায় মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজছে বিজ্ঞানীরা

সম্প্রতি মঙ্গলে অক্সিজেনের বিভ্রান্তিকর ব্যবহার লক্ষ্য করলো নাসার এসইউভি আকৃতির রোমিং ল্যাবরেটরি কিউরিওসিটি। বিগত জুন মাসে মিথেনের ব্যবহারে অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ্য করা পোর্টেবল ল্যাব SAM ইন্সট্রুমেন্ট এবার লক্ষ্য করেছে যে অক্সিজেনের ব্যবহারে প্রতি বছর অন্তর বেশ কিছু পরিবর্তন আসছে। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল তৈরি হয়েছে মূলত কার্বন-ডাই-অক্সাইড দিয়ে যা শীতকালে দুই মেরুতে জমে গিয়ে বায়ুর চাপ কমিয়ে দেয়। আবার বসন্ত এবং গ্রীষ্মকালে বায়ুমন্ডলে ফিরে আসে এবং তখন বায়ুর চাপ বাড়ে। কিন্তু অক্সিজেন পরিমাণে খুবই কম থাকলেও বসন্ত এবং গ্রীষ্মকালে এর পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছিল যেখানে শীতকালে এর পরিমাণ স্বাভাবিকের থেকেও বেশ অনেকটা কমে যায়। মিথেনের অদ্ভুত আচরণের মতই অক্সিজেনের এই আচরণের কারণ ব্যাখ্যা করাও বিজ্ঞানের পক্ষে বেশ সমস্যার হতে চলেছে। এটি মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব বলেও মনে করছেন অনেকে। নাসার পরবর্তী রোভার ২০২১ এ মঙ্গলপৃষ্ঠে অবতরণ হওয়ার পরেই এই রহস্যের সমাধান হবে বলে মতামত নাসার বিজ্ঞানীদের।

সমস্ত খবরের আপডেট পেতে এখানে লাইক দিন!