করোনার জেরে পকেটে টান, পুরানো ফোন কিনতে বেশি আগ্রহী মানুষ

নিত্য নতুন ফিচার এবং সহজলভ্যতার জন্য আমরা প্রায়ই নিজেদের পুরনো স্মার্টফোন পাল্টে নতুন ফোন কিনি। কিন্তু ভারতীয় স্মার্টফোন বাজারে হঠাৎ পরিবর্তন এসেছে, পুরনো বা রিফার্বিস ডিভাইসের চাহিদা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, যে লকডাউনের কারণে মানুষের হাতে টাকা খুব বেশি নেই অথবা বাজারে নতুন স্মার্টফোনের স্টক পর্যাপ্ত নয়।

ফোন কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

“Cashify”, যা পুরনো ডিভাইস কেনা-বেচার জন্য পরিচিত, সেই সংস্থার এক আধিকারিক নকুল কুমার জানিয়েছেন, বিগত দু-তিন দিনে রিফার্বিসড ফোনের চাহিদা হঠাৎ করেই বেড়েছে। কিন্তু তাদের স্টক সীমিত, কারণ বেশ কয়েকদিন ধরে ইউজাররা তাদের পুরনো ব্যবহৃত ফোন বিক্রি করছেন না। যদিও চীন থেকে রিফার্বিসড ডিভাইসের কম্পোনেন্ট আমদানিকারক রিসেলার “Yantra” বলছে, তাদের কাছে যে পরিমাণ জোগান আছে তাতে, ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে গ্রাহকের প্রয়োজনীয়তা পূরণ হবে।

ফোন কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

আনলক ১.০ পর্বে Yantra, Cashify, OLX এবং XtraCover নামক সংস্থাগুলিতে পুরোনো ডিভাইসের চাহিদা বেড়েছে। Yantra-র CEO জানিয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে তারা আগের থেকে দ্বিগুণ হারে রিফার্বিসড ডিভাইস বিক্রি করেছেন।

Xtracover.com-এর CEO সৌমিত্র গুপ্ত জানিয়েছেন, জুন মাসে আগের দিনের তুলনায় এই ডিভাইসের চাহিদা বেড়েছে ৩.৫ গুণ। তাঁর মতে পুরানো ডিভাইসের সাপ্লাইয়ের চেয়ে বড় সমস্যা লজিস্টিক্স এবং ডিস্ট্রিবিউশন। অন্যদিকে OLX-এর এক আধিকারিক, হালফিল সময়ে পুরনো স্মার্টফোন থেকে তাদের মোটা অঙ্কের মুনাফার কথা জানিয়েছেন।

মূলত লকডাউনের জেরে কারখানায় শ্রমিকশক্তি একেবারে কমে যাওয়ায় নতুন ডিভাইস সরবরাহের ক্ষেত্রে সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক মানুষ আজ কাজ হারা, তারা কম টাকায় সেকারণে পুরানো ফোনের দিকে ঝুঁকছে।

আমাদেরকে ফলো করুন ইনস্টাগ্রামে