পুরানো TVS Apache RTR 200 4V কেনার কথা ভাবছেন? ভালো ও খারাপ দিক জেনে নিন

TVS Apache RTR 200 4V এর পুরানো মডেলটি যদি কেনার কথা ভাবেন তবে এর সুবিধা ও অসুবিধাগুলি জেনে নিন

planning-to-buy-used-tvs-apache-rtr-200-4v-know-pros-cons

লঞ্চের সময় TVS Apache RTR 200 4V ছিল সংস্থাটির ফ্ল্যাগশিপ মোটরসাইকেল। পরে অবশ্য TVS Apache RR 310 সংস্থার ফ্ল্যাগশিপ বাইকের স্থানটি দখল করে। কিন্তু সাফল্যের দিক থেকে দেখতে গেলে TVS Apache RTR 200 4V দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে উপযুক্ত হিসেবে প্রমাণ করে এসেছে। পাশাপাশি নতুন নতুন আপডেটের সাথে এর একাধিক ভার্সন লঞ্চ করেছে TVS। এখনো এর জনপ্রিয়তায় এতোটুকু ভাটা পড়েনি। তাই TVS Apache RTR 200 4V এর পুরানো মডেলটি যদি কেনার কথা ভাবেন তবে এর সুবিধা ও অসুবিধাগুলি রইল আপনার জন্য।

পুরানো TVS Apache RTR 200 4V এর সুবিধা

১) ১৯৭.৭৫ সিসি ইঞ্জিনের বাইকটি অসাধারণ পারফরম্যান্স দেয়। বটম এন্ড এবং মিড রেঞ্জের শক্তিশালী বাইকটি দিয়ে রাস্তায় চলা কোনো কম গতির যানবাহনকে খুব সহজেই ওভারটেক করা যায়।

২) মোটরসাইকেলটির গুণমান এবং ফিনিশিং বেশ ভালো। এর প্রথম মডেলটি গত ২০১৬ সালে দুর্দান্ত ফিচারের সাথে লঞ্চ হয়েছিল।

৩) বাজারে এর স্পেয়ার পার্টস সহজলভ্য। সার্ভিসিং এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচও খুব বেশি নয়।

৪) একটু খোঁজ করলে খুব সহজেই এর পুরানো মডেলের দেখা মেলে।

পুরানো TVS Apache RTR 200 4V এর অসুবিধা

১) টিভিএস অ্যাপাচি আরটিআর ২০০ ৪ভি-র ৫-স্পিড গিয়ার বক্স ততটা স্মুথ নয়। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে যদি বাইকটি উচ্চগতিতে চলে থাকে তবে এর ৬তম গিয়ারটি কাজ নাও করতে পারে।

২) উচ্চগতিতেও চলার সময় এর থেকে বেশ ভালই কম্পন অনুভূত হয়। বিশেষ করে ফুটপেগ এবং হ্যান্ডেল বারে।

৩) বেশি উচ্চতার চালকের ক্ষেত্রে TVS Apache RTR 200 4V চালানো একটু কষ্টসাধ্য হতে পারে।

টেকগাপের মেম্বাররা ও সদ্য যোগ দেওয়া লেখকরা এই প্রোফাইলের মাধ্যমে টেকনোলজির সমস্ত রকম খুঁটিনাটি আপনাদের সামনে আনে।