EV Charging: বৈদ্যুতিক গাড়ি নিমেষে চার্জ করার প্রযুক্তি গড়ে তুলুন, কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে আর্জি মন্ত্রীর

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অটোমোবাইল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার বা এআরএআই-কে এমন প্রযুক্তি বিকাশের জন্য অনুরোধ করছে, যা ইলেকট্রিক গাড়ি চার্জ হওয়ার সময় হ্রাস করতে পারবে

reduce-ev-charging-time-minister-asks-arai-to-develop-technology

বিদ্যুৎচালিত গাড়ির চড়া দাম ও চার্জ দেওয়ার পরিকাঠামোর ঘাটতি থাকার কারণে এখনই এই ধরনের গাড়ি কিনতে আগ্রহী নন ক্রেতারা৷ তবে কেন্দ্রের ইনসেন্টিভ স্কিমের (ফেম-টু) মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কিছুটা হাতের নাগালে যেমন দাম এসেছে, তেমনই সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে চার্জিং স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে৷ কিন্তু যে কারণের জন্য বৈদ্যুতিক গাড়ি কিনতে ক্রেতাদের অনেকেই ইচ্ছুক থাকলেও ভরসা পাচ্ছেন না তা হল, চার্জ হওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাটারিচালিত গাড়ির দীর্ঘসূত্রিতা৷

গাড়িতে তেল ভরা কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার৷ অথচ বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল উপাদান ব্যাটারি চার্জ করতে সময় লাগে অত্যন্ত বেশী৷ এবার এই বিষয়টি নিয়ে গ্রাহকদের উদ্বেগ দূর করতে অটোমোবাইল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার বা এআরএআই (ARAI)-এর কাছে আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ভারী শিল্প মন্ত্রী (Union Minister of Heavy Industries) মহেন্দ্রনাথ পান্ডে (Mahendra Nath Padey)

তিনি বলেন, ” আমি অটোমোবাইল রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার বা এআরএআই-কে এমন প্রযুক্তি বিকাশের জন্য অনুরোধ করছি, যা এই ধরনের গাড়ি চার্জ হওয়ার সময় হ্রাস করতে পারবে৷” তিনি যোগ করে আরও বলেন, বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারকারীদের উদ্বেগ কমাতে কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশে ন’টি এক্সপ্রেসওয়ে বেছে নিয়েছে, যেখানে ৬০০০ ইভি চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হবে৷ তার মধ্যে পঞ্চাশ শতাংশ শীঘ্রই তৈরি করা হবে৷

মহেন্দ্রনাথ পান্ডের কথায়, একটি বৈদ্যুতিক গাড়ির মোট দামে ব্যাটারির খরচা প্রায় ৩০ শতাংশ৷ এই ব্যাটারির অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল সেল (এএসি) বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়, যা সার্বিক ভাবে ব্যাটারিচালিত গাড়ির দাম বেশি হওয়ার মূল কারণ৷ মন্ত্রী মনে করেন যে ব্যাটারি তৈরির খরচ কমাতে সেলগুলি দেশের ভিতরেই তৈরি করা সম্ভব৷ কারণ লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পদার্থগুলির মধ্যে ৭০ শতাংশ ভারতেই উপলব্ধ৷

টেকগাপে শুভ্রর প্রথম প্রযুক্তি বিষয়ক লেখায় হাতেখরি৷ স্নাতক স্তরের পড়াশোনার পাশাপাশি এখানেই চলতে থাকে শুভ্রর লেখালেখি৷ কলেজের অধ্যায় শেষ হওয়ার পর শুভ্র এখন টেকগাপের কনটেন্ট টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য৷