2030 সালের মধ্যে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎচালিত গাড়ির ব্র্যান্ডে পরিণত হবে Renault

renault-aims-to-be-an-all-electric-car-brand-in-europe-by-2030

‘বিদ্যুৎ চালিত গাড়িই হবে ভবিষ্যৎ’ – মন্ত্রী মহোদয় থেকে পরিবেশবিদদের মুখে এখন একটাই কথা। এর কারণ এতদিনে সকলেই অবগত আছেন ধরে নিয়েও বলছি, পরিবেশ দূষণের মাত্রা কমানোই এর একমাত্র উদ্দেশ্য। বিভিন্ন দেশের সরকার ইলেকট্রিক ভেহিকেলের চাহিদা বৃদ্ধি করতে ইতিমধ্যেই ভর্তুকির কথা ঘোষণা করেছে। ভারত সরকারও FAME-II ও PLI প্রকল্প দুটি নিয়ে এসেছে। ফলস্বরূপ বিশ্বজুড়ে সমস্ত গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি ইলেকট্রিক যানবাহন প্রস্তুতিতে জোর দিয়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতিতে BMW, Audi, Mercedes-Benz, Jaguar-এর পাশাপাশি Tata, Hyundai পিছিয়ে নেই কেউই। এবার এই তালিকায় নিজের নাম তুলতে তৎপর ফরাসি সংস্থা Renault। ২০৩০-এর মধ্যেই ইউরোপে সংস্থাটি নিজেদের লাইনআপের সমস্ত গাড়ি ইলেকট্রিক ভার্সনে নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রার কথা ঘোষণা করেছে।

এই প্রসঙ্গে রেনো (Renault)-র সিইও লুকা ডি মিও (Luca de Meo) বলেছেন, “ফরাসি ব্র্যান্ডটি ২০৩০-এর মধ্যে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক হয়ে উঠবে। সংস্থার বিদ্যমান মডেলের গাড়ির বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে ৯০ শতাংশ বৈদ্যুতিক এবং বাকি ১০ শতাংশ নতুন ইলেকট্রিক গাড়ি নিয়ে আসার মাধ্যমে বাস্তবায়িত করে তোলা হবে।”

এছাড়াও সংস্থার অপর একটি পরিকল্পনা রয়েছে যা ‘প্ল্যান-বি’ বলা হচ্ছে। যার আওতায় রয়েছে এই দশক অর্থাৎ ২০৩০-এর মধ্যে যদি ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিক গাড়ির সংস্থায় পরিবর্তিত হওয়ার কাজটি সম্ভবপর না হয়ে ওঠে, সে ক্ষেত্রে রেনো নিজের পুরানো আইসি ইঞ্জিন চালিত গাড়ির বিক্রি জারি রাখবে। আসলে সংস্থার এই পদক্ষেপের মূল কারণ ইউরোপ ইউনিয়ন, বিশ্ব উষ্ণায়নের গতি শ্লথ করতে গাড়ি থেকে নির্গত দূষণের মাত্রা কমানোর জন্য ২০৩৫-এর মধ্যে পেট্রল-ডিজেল চালিত গাড়ি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। আর তাই সংস্থার নড়েচড়ে বসা। এমনকি রেনোর সহকারী সংস্থা Dacia ব্র্যান্ডটিও এই একই পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মিও।

প্রসঙ্গত, বৈদ্যুতিক গাড়ির সংখ্যা বাড়াতে এবছর একাধিক মডেল লঞ্চ করতে চলেছে Renault। যার মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক Megane E-RTech Electric, Kangoo Van E-Tech Electric ও Renault Zoe। এছাড়াও সংস্থাটি অন্য ইলেকট্রিক গাড়ির নির্মাণের কাজ করছে। যেমন Renault 5, যেটি একটি রেট্রো থিমের ছোট বৈদ্যুতিক গাড়ি। আবার ক্রসওভার Austral-এর ব্যাটারি চালিত ভ্যারিয়েন্টটির উপরও কাজ করছে সংস্থাটি।

শুভদীপ টেকগাপে অটোকার বিষয়ক লেখালিখি করে। এর আগে বিভিন্ন পোর্টালের সাথে যুক্ত থাকলেও, অটোকার নিয়ে টেকগাপে তার হাতেখড়ি। দিনকে দিন সে টেকগাপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠেছে।