ভারতে এল প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ওয়্যারলেস হেডফোন Skullcandy Crusher Evo

হেডফোন মার্কেটে একটি জনপ্রিয় নাম হল Skullcandy। এই মার্কিনি ব্র্যান্ডটি মূলত প্রিমিয়াম কোয়ালিটির অডিও প্রোডাক্ট তৈরি করে। সম্প্রতি ব্র্যান্ডটি ভারতের বাজারে Crusher Evo নামের একটি হেডফোন লঞ্চ করেছে, যার ফিচার সহজেই গ্রাহকদের আকর্ষিত করবে। এই হেডফোনটির দাম ১২,৯৯৯ টাকা এবং এটি কোম্পানির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিক্রয়ের জন্য উপলব্ধ। আসুন এই নতুন Skullcandy Crusher Evo হেডফোনটির ফিচার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।

প্রথমেই বলে রাখি, Skullcandy Crusher Evo হেডফোনটিতে ব্র্যান্ডের নিজস্ব সেন্সরি হ্যাপ্টিক ব্যস (Bass) এবং অডিওডো (Audiodo) টেকনোলজি রয়েছে। এটির ব্যস ফ্রিকোয়েন্সি এবং মাল্টি ডাইমেনশনাল হ্যাপ্টিক ভাইব্রেশন অভিনব এবং মজাদার সাউন্ড আউটপুট দিতে সক্ষম। ইউজাররা তাদের ডিভাইসে স্কালক্যান্ডি অ্যাপ ডাউনলোড করে সেটির মাধ্যমে নিজস্ব সাউন্ড প্রোফাইল তৈরি করতে এবং সাউন্ড এফেক্ট কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

হেডফোনটির অন্য একটি বিশেষ ফিচার হল এর বিল্ট-ইন টাইল ফাইন্ডিং টেকনোলজি। এই ফিচারটির সাহায্যে ইউজাররা হেডফোন হারিয়ে ফেললে বা কোথায় রেখেছেন মনে করতে না পারলে সেটি খুঁজে পেতে রিং করতে পারবেন।

এছাড়া ব্যাটারি বা ডিজাইনের কথা বললে, স্কালক্যান্ডি ক্রাশার ইভো হেডফোনটিতে ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি রয়েছে। নির্মাতা সংস্থার দাবি, এটি ১০ মিনিটের চার্জে ৪ ঘন্টা প্লেব্যাক দিতে পারে। সম্পূর্ন চার্জে ডিভাইসটি ৪০ ঘন্টা প্লেব্যাক দেবে। যাতে সহজে সঙ্গে নিয়ে ঘোরা যায় সেজন্য এটিকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এতে ফ্ল্যাট-ফোল্ডিং এবং কোলাপ্সিবল ডিজাইন দেখা যাবে। ডিভাইসটি রাখা বা বহন করার জন্য গ্রাহকরা একটি ক্যারি কেস পাবেন।

ছবি দেখেই বুঝতে পারছেন এই হেডফোনটি ওয়্যারলেস। এক্ষেত্রে, কানেক্টিভিটির জন্য ডিভাইসটি ব্লুটুথ টেকনোলজি ব্যবহার করে। এছাড়া Skullcandy Crusher Evo তে অ্যাপল সিরি, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ইত্যাদি ডিজিটাল ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের সাপোর্ট রয়েছে। ইউজাররা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে এই হেডফোনটি থেকে ফোন কল রিসিভ করতে এবং মিউজিক ট্র্যাকগুলি পরিবর্তন পারবেন।