স্মার্টওয়াচ বা ব্যান্ডে থাকছে নকল হার্ট রেট সেন্সর! ধোঁকার টাটি কিভাবে পরখ করবেন?

এখন অনেক স্মার্টওয়াচ বা স্মার্টব্যান্ডে ভুয়ো হার্ট রেট সেন্সর ব্যবহার করা হয়। সেক্ষেত্রে এই প্রতারণা নিজে হাতে পরখ করার জন্যই আজ রইল কিছু টিপস।

আজকালকার দিনে স্মার্টওয়াচ বা স্মার্টব্যান্ড ব্যবহারের প্রবণতা অনেক বেড়ে গেছে। কারণ এগুলিতে আধুনিক ফিচার তো মিলছেই, পাশাপাশি ইউজাররা এই ধরণের আনুষঙ্গিকে ফিটনেস এবং হেল্থ ট্র্যাকিং গুণাবলী উপভোগ করতে পারছেন। আসলে প্রায় সব স্মার্টওয়াচ এবং ব্যান্ড হার্ট রেট বা এই অন্যান্য সেন্সর দিয়ে সজ্জিত থাকে। কিন্তু জানেন কি অনেক সময় এই ধরনের আধুনিক ঘড়িতে নকল হার্ট রেট সেন্সর ব্যবহার করা হয়। হ্যাঁ ঠিকই পড়েছেন, এই ধোঁকাদারির তুলনায় সবই সম্ভব! তবে টাকা খরচ করে স্মার্টওয়াচ কিনে যদি হার্ট রেট মনিটর সঠিকভাবে কাজ না করে তাহলে কেমন হবে? কীভাবেই বা বুঝবেন আপনার স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ব্যান্ড আসল নাকি নকল। আসুন বিস্তারিত জেনে নিই…

এই টিপসগুলি ফলো করলে বুঝবেন স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ব্যান্ড নকল কিনা

১) কখনও কখনও সাধারণ স্মার্টওয়াচ বা স্মার্টব্যান্ড নির্মাতা সংস্থাগুলি তাদের পণ্যগুলিতে নকল হার্ট সেন্সর রাখে এবং সেগুলি বাজারে বিক্রি করে৷ সেক্ষেত্রে আপনি যদি নকল প্রোডাক্ট খুঁজে বের করতে চান, তাহলে মনে রাখবেন প্রকৃত অর্থাৎ আসল হার্ট রেট সেন্সরে কমপক্ষে দুটি এলইডি (একটি সবুজ এবং অন্যটি ইনফ্রারেড বা IR আলো) থাকবে।

২) স্মার্টওয়াচ বা ব্যান্ড পরার সময় বা ব্যায়ামের সময় হার্ট রেট ওঠানামা করা উচিত। এটি আপনাকে আপনার স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ব্যান্ডে নকল হার্ট রেট সেন্সর আছে কিনা তা বোঝার সুবিধা দেয়। স্বাভাবিক হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বিট পর্যন্ত হয়ে থাকে। দৌড়ালে বা ওয়ার্কআউট করলে, হার্ট রেট অর্থাৎ হৃদস্পন্দন ১১০ থেকে ১৪০ বিট পর্যন্ত বেড়ে যায়। অতএব, এই জাতীয় ঘড়ি বা ব্যান্ড পরার সময় রিডিং স্বাভাবিক থাকছে কিনা দেখুন।

3) হার্ট রেট সেন্সরকে পালস অক্সিমিটার দিয়ে পরীক্ষা করা দরকার। এতে আপনি আপনার স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ব্যান্ডে হার্ট রেট মনিটরের যথার্থতা পরীক্ষা করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে ঘড়ি বা ব্যান্ড পরতে হবে এবং হার্ট রেট মনিটর চালু করতে হবে। তারপর ডেটা তুলনা করলে যদি ঘড়িতে দেখানো ডেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়, তাহলে বুঝবেন এই সেন্সরটি নকল।