ইউটিউব শুরু করছেন ? এই ৮ টি টিপস মেনে চলুন

জিও আসার পর থেকে ভারতে ইউটিউবের চর্চা যে বেড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এখন ভারতে অনেকেই ইউটিউবে কাজ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।কিন্তু আমরা জানি ইউটিউব এতটাও সহজ প্লাটফর্ম নয় যে আপনি ভিডিও বানিয়ে আপলোড করলেন আর ভিউয়ার চলে এলো। আজ আমরা এই পোস্টে ৮ টি টিপস দেব যেগুলো নতুন ইউটিউবারদের মেনে চলা উচিত।

১. সাধারণ ভিডিও এডিটিং শিখুন :

আপনি ইউটিউব সবে শুরু করছেন বলে যে খারাপ ভিডিও বানাবেন এমন হতে পারেনা।আপনার অবশ্যই ভিডিও এডিটিংয়ের বেসিক নলেজ থাকা উচিত।নইলে আপনার ভিডিও দেখতে কেউ আগ্রহ দেখাবে না। আবার খারাপ কোয়ালিটির জন্য ইউটিউব আপনার ভিডিও প্রোমোট করবে না। আপনি বাজারে অনেক ভালো ফ্রি ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার পেয়ে যাবেন।

২. কোয়ালিটির সাথে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করুন :

আপনার ভিডিও যেন মানুষের মনকে ছুঁতে পারে এবং বারবার দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করে।এমন কোনো ভিডিও বানালেন যেটা আপনি ছাড়া কেউ বুঝলো না বা অনেকেই আগে ওই টপিকের উপর ভিডিও বানিয়েছে।তাহলে আপনার জন্য ইউটিউব বড্ডো কঠিন হয়ে যাবে। আবার আপনাকে নিয়মিত হতে হবে। অন্ততপক্ষে প্রথমদিকে নির্দিষ্ট দিন মেনে সপ্তাহে দুটো ভিডিও আপলোড করতে হবে।

৩. দামি ক্যামেরা ছাড়াও ভিডিও বানান :

দামি ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও বানালেই যে আপনি ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবার পাবেন এমন কোনো কথা নেই। মনে রাখবেন ভুবন বাম তার ইউটিউবের শুরুর দিকে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়েই ভিডিও রেকর্ড করতো। আপনিও ফোনের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন। তবে দেখবেন সেটা যেন পরিষ্কার দেখা ও শোনা যায়।

৪. SEO কে এড়িয়ে যাবেন না :

আপনাকে ইউটিউবের গাইডলাইন মেনে ভিডিও আপলোড করতে হবে। আপনার চ্যানেল টি ঠিক ধরণের সেটি ইউটিউবকে বোঝানো প্রয়োজন। এরজন্য আপনি চ্যানেল কীওয়ার্ড ঠিক করবেন।এছাড়াও আপনি TubeBuddy ব্যবহার করতে পারেন।

৫. তুলনা করবেন না :

অন্যের সাথে নিজের তুলনা করতে যাবেন না। অন্যের খারাপ ভিডিওটে ভিউ হওয়া মানে আপনার ভিডিওতে হবে এমন কোনো মানে নেই। আবার অন্যের চ্যানেল এগিয়ে যাচ্ছেনা মানে আপনার চ্যানেল ও এগিয়ে যাবেনা এটা সঠিক নয়।

৬. থাম্বনেইলের জন্য সময় দিন :

আপনি ভিডিও বানানোর জন্য যতটা সময় দেন,থাম্বনেইল বানানোর জন্য ততটাই সময় দেন। মনে রাখবেন আপনি যতোভালোই ভিডিও বানান না কেন,থাম্বনেইল যদি খারাপ হয় তবে ভিডিওতে ভিউ পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। মানুষ আগে আপনার ভিডিওর থাম্বনেইল দেখে,তারপর যদি সেটি আকর্ষণীয় হয় তবেই আপনার ভিডিও দেখবে।

৭. ভিডিও টাইটেল :

আপনার ভিডিও টাইটেল অবশ্যই আপনার ভিডিও অনুযায়ী হওয়া উচিত। কখনই চেষ্টা করবেন না ভুল টাইটেল দিয়ে মানুষকে বোকা বানানোর। ভিডিও টাইটেল বাছার জন্য আপনি ইউটিউবেই ভিডিও সম্পর্কিত কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করতে পারেন। এরপর ওই সম্পর্কিত যে ভিডিওটি বেশি ভিউয়ার পেয়েছে সেইধরণের টাইটেল দিন।তবে সেই টাইটেলতাই কপি করবেন না.

৮. সোশ্যাল মিডিয়া ও যৌথ ভিডিও :

এই দুনিয়ায় আপনি কখনোই সোশ্যাল মিডিয়াকে ছেড়ে চ্যানেল এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন না। আপনার ভিডিওগুলো আরও বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।ফেসবুক,ইনস্টাগ্রাম প্রভৃতি কোনো চ্যানেলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বড়ো ভূমিকা পালন করে। আবার আপনি অন্য ইউটিউবারের সাথে একসাথে ভিডিও বানান। তার চ্যানেল ও আপনার চ্যানেলে সেটি আপলোড করুন।এভাবে অনেক সাবস্ক্রাইবার পাওয়া যায়। তবে মনে রাখবেন দুটি চ্যানেল যেন একই ক্যাটাগরির হয়।

পড়ুন : ১৪ বছর বয়সি শিশু ইউটিউবারের কোটিপতি হওয়ার গল্প পড়ুন