বাজেট ২০২১: ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম বিকাশের জন্য ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

union-budget-2021-1500-crore-scheme-to-promote-digital-payments.jpg

অবশেষে ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাসেও প্রভাব পড়ল ‘নিউ নর্ম্যাল’-এর! আজ অর্থাৎ সোমবার, ভারতের ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পেশ হল কাগজ-কলম ছাড়াই। রিপোর্ট অনুযায়ী, করোনাকালে প্রকাশিত হওয়া এই ‘পেপারলেস’ বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের ওপর বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। দাম বাড়ানো হয়েছে মোবাইল, ইলেকট্রনিক আনুষাঙ্গিক, জামাকাপড় ইত্যাদির। তাছাড়া বিভিন্ন পণ্যের আমদানি শুল্কের ক্ষেত্রেও কিছু রকমফের করা হয়েছে। তবে এরই মধ্যে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের বিকাশের জন্য ১,৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তাব করেছেন।

সীতারমণ বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তাই ডিজিটাল লেনদেন আরও বাড়াতে এবং সমগ্র পরিকাঠামোটিকে বিকাশ করতে তিনি একটি স্কিমের প্রস্তাব দিয়েছেন, যার ইয়ারমার্ক ১,৫০০ কোটি টাকা। এই স্কিমটি বাস্তবায়িত হলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে টাকা আদান-প্রদানের উৎসাহ আরও বাড়বে বলেই আশা করছেন অর্থমন্ত্রী।

এছাড়াও বাজেট পেশের সময় সীতারমণ জানিয়েছেন যে, ২০১২ সালের বাজেটে ঘোষিত ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (NRF)-এর জন্যও সরকার কিছু পরিকল্পনা করছে। সেক্ষেত্রে NRF-এর পাঁচ বছরের ব্যয়ের জন্য প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে বলে তিনি ঘোষণা করেছেন। মনে করা হচ্ছে, এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক গবেষণা পরিবেশ আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তবে জানিয়ে রাখি, একই সাথে ন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেশন মিশনের দায়ভারও নিজে হাতে নেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।

শুধু তাই নয়, সরকার, ন্যাশনাল ইনফ্রাস্টাকচার পাইপলাইন (NIP)-এর তহবিলের জন্যও ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এক্ষেত্রে সরকারের ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশন (DFI) স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে যা বাস্তবায়িত হতে ২০২৫ সাল অবধি ১১১ লাখ কোটি টাকা খরচ হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ২০১৯-২০ সালের বাজেটে এই পরিকল্পনাটির কথা ঘোষণা করেছিল অর্থমন্ত্রক; এই মুহূর্তে সারাদেশে NIP-র জন্য প্রায় ৭,০০০টি প্রকল্প বিদ্যমান রয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপে খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন