Galaxy S20 সিরিজের ক্যামেরায় সমস্যা, মামলা দায়ের Samsung-র বিরুদ্ধে

users sue samsung-for-broken-galaxy-s20-series camera-glass

গত বছরের একেবারে প্রথমদিকেই Samsung বাজারে এনেছিল Galaxy S20 (এই বছর চালু হওয়া S21 সিরিজের পূর্বসূরী) ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন সিরিজ, যার অধীনে Galaxy S20, S20+ এবং S20 Ultra নামক তিনটি ফোন লঞ্চ হয়েছিল; পরে এই পরিবারে Galaxy S20 FE নামে আরেকটি সদস্য যুক্ত হয়। তবে এই সিরিজের ফোনগুলিতে একাধিক আকর্ষণীয় ফিচার থাকলেও, গ্রাহকরা এগুলির পারফরম্যান্সে তেমন সন্তুষ্ট হননি। ফলত, মাঝেমধ্যেই এই ফোনগুলির বিভিন্ন ইস্যু বা ত্রুটির কথা আমাদের সামনে এসেছে। কিন্তু এবার এই সিরিজটিকে নিয়ে এতই জলঘোলা হয়েছে, যার জেরে মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিটি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই স্মার্টফোন সিরিজের প্রাথমিক তিনটি মডেল এবং Galaxy S20 FE-র ক্যামেরার কাঁচে একটি বিস্তৃত ত্রুটি লুকানোর অভিযোগে, বেশ কিছু ইউজার স্যামসাংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

ওই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, Samsung উক্ত ডিভাইসগুলির ওয়্যারেন্টির সাথে কাটাছেঁড়া করে ইউজারদের প্রতারণা করেছে, এবং S20 ফোনগুলি বিক্রি করে বেশ কয়েকটি কনজিউমার প্রোটেকশন আইন ভঙ্গ করেছে। এক্ষেত্রে এই ফোনগুলির ক্যামেরার কাঁচ কোনরকম সতর্কতা বা অপব্যবহার ছাড়াই ‘স্যাটার্ড’ অর্থাৎ নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া এগুলির ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করেছেন যে, সংস্থা বা তার কর্মীরা এই ত্রুটি সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও ওয়্যারেন্টি স্কিমের মাধ্যমে সমস্যাটি কভার করেনি।

মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউজাররাই এই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন এবং এই সমস্যার দরুন তাদের শেষ পর্যন্ত ফোন মেরামত করার জন্য ৪০০ ডলার (প্রায় ৩০,০০০ টাকা) ব্যয় করতে হয়েছে। সেক্ষেত্রে উক্ত মামলাটির কার্যক্রম এগিয়ে গেলে এবং তার ফলাফল অভিযোগকারীদের পক্ষে গেলে, এই সমস্ত ইউজার ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন, যার মধ্যে মূল্য এবং অন্যান্য ক্ষতির ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, মাত্র দিন দুয়েক আগে প্রকাশিত রিপোর্টে, Samsung, বছরের প্রথম তিনমাসে বিশ্ববাজারে সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন শিপিং করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এই নতুন অভিযোগ সংস্থার ব্যবসায় প্রভাব ফেলে কিনা তা সময়ই বলবে। তবে ইউজারদের অভিযোগ সত্যি হলে, আলোচ্য ঘটনাটি যে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হবে – তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না!

হোয়াটসঅ্যাপে খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন