লঞ্চের আগেই জেনে নিন Vivo V20 SE, Vivo V20, এবং Vivo V20 Pro এর সম্পূর্ণ ফিচার

vivo-v20-se-vivo-v20-and-vivo-v20-pro-specifications-leaked-ahead-of-launch

আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডে লঞ্চ হবে Vivo V20 সিরিজ। এই সিরিজে তিনটি ফোন থাকবে Vivo V20 SE, Vivo V20, এবং Vivo V20 Pro। এই সিরিজকে ২৪ সেপ্টেম্বর কোম্পানি ইন্দোনেশিয়ার লঞ্চ করবে। তবে তার আগেই এই তিনটি ফোনের স্পেসিফিকেশন ফাঁস হল। জনপ্রিয় এক টিপ্সটার ভিভো ভি ২০ এসই, ভিভো ভি ২০ ও ভিভো ভি ২০ প্রো ফোন তিনটির স্পেসিফিকেশন সামনে এনেছে।

Vivo V20 SE এবং Vivo V20 এর সম্ভাব্য স্পেসিফিকেশন

টিপ্সটারের রিপোর্ট অনুযায়ী, Vivo V20 SE এবং Vivo V20 ফোন দুটিতে ৬.৪৪ ইঞ্চি S-AMOLED ওয়াটার ড্রপ নচ ডিসপ্লে থাকবে। এই ডিসপ্লের রেজুলেশন হবে ফুল এইচডি প্লাস ও আসপেক্ট রেশিও ২০:৯ এবং স্ক্রিন টু বডি রেশিও হবে ৯০.১২। এতে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর থাকবে। Vivo V20 ফোনে ডুয়েল পাঞ্চ হোল কাট আউট থাকবে। ফোনগুলি অ্যান্ড্রয়েড ১০ বেসড FunTouchOS ইন্টারফেসে চলবে। 

Vivo V20 SE ফোনে থাকবে স্ন্যাপড্রাগন ৬৬৫ প্রসেসর এবং ৪,১০০ এমএএইচ ব্যাটারি। আবার Vivo V20 ফোনে থাকবে ৪,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও স্ন্যাপড্রাগন ৭২০জি প্রসেসর। দুটি ফোনেই ৩৩ ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জার ২.০ টেকনোলজি ও এনএফসি সাপোর্ট থাকবে। আবার ফোনগুলিতে ৮ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ দেওয়া হবে।

ভিভো ভি২০ এসই ফোনে ৩২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা থাকবে। আবার পিছনে থাকবে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা। যার প্রধান ক্যামেরা হবে ৪৮ মেগাপিক্সেল। এছাড়াও থাকবে ৮ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড লেন্স ও ২ মেগাপিক্সেল বোকেহ লেন্স। ফোনটি গ্রাভিটি ব্ল্যাক এবং অক্সিজেন ব্লু কালারে আসবে।

অন্যদিকে ভিভো ভি২০ ফোনে থাকবে ৪৪ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। এখানেও ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ থাকবে। এই তিনটি ক্যামেরা হবে- ৬৪ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা + ৮ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড ক্যামেরা + ২ মেগাপিক্সেল ২ মনো ক্যামেরা। ফোনটি মিডনাইট জাজ এবং সানসেট মেলোডি কালারে পাওয়া যাবে।

Vivo V20 Pro এর সম্ভাব্য স্পেসিফিকেশন

জানা গেছে এই ফোনটি চীনে লঞ্চ হওয়া Vivo S7 5G এর রিব্রান্ডেড ভার্সন হবে। ফলে এই দুই ফোনের স্পেসিফিকেশন একই থাকবে। ভিভো এস৭ ৫জি ফোনে ৬.৪৪ ইঞ্চি এমোলেড ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে। এর পিক্সেল রেজুলেশন ১০৮০ x ২৪০০ এবং আসপেক্ট রেশিও ২০:৯। আবার স্ক্রিন টু বডি রেশিও ৯১.২ শতাংশ এবং রিফ্রেশ রেট ৬০ হার্জ। এতে HDR সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। ফোনটি কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৭৬৫জি প্রসেসরের সাথে এসেছে। এতে পাবেন ৮ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম ও ২৫৬ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ। মাইক্রোএসডি কার্ডের মাধ্যমে এর স্টোরেজ বাড়ানো যাবেনা।

ফটোগ্রাফির জন্য এই ফোনের পিছনে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। যার প্রাইমারি ক্যামেরা ৬৪ মেগাপিক্সেল GW1 সেন্সর। এছাড়াও আছে ৮ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরা, যার ফিল্ড অফ ভিউ ১২০ ডিগ্ৰী এবং ২ মেগাপিক্সেল মনোক্রোম সেন্সর। এতে ১০ এক্স জুম, ইলেকট্রনিক ভিডিও স্টেবিলাইজেশন ও সুপার নাইট মোড সাপোর্ট আছে। আবার ফোনের সামনে আছে এফ/২.০ অ্যাপারচার সহ ৪৪ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা ও ৮ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স, যার ফিল্ড অফ ভিউ ১০৫ ডিগ্রী। সামনের ক্যামেরা ৬০ এফপিএস এ 4K ভিডিও রেকর্ড করতে পারে।

এই ফোনে ৪,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। এতে ৩৩ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জিং সাপোর্ট করে। চার্জিংয়ের জন্য আছে ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট। সিকিউরিটির জন্য ফোনে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ও ফেস আনলক ফিচার আছে। ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১০ বেসড ফানটাচ ওএস ১০.৫ সিস্টেমে চলে।