সরকারের আবেদন খারিজ করলো হোয়্যাটসআ্যপ

অতীতে ভারতীয় সরকার বহুবার হোয়্যাটসআ্যপ কোম্পানির কাছে অনুরোধ করেছে এমন কোন টেকনোলজিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা শুরু করতে যাতে যে কোন ম্যাসেজের মূল উৎস কোনটা তা জানা যায়। ফেসবুক অধিকৃত এই সোশ্যাল মিডিয়াটি জানিয়েছে যে এরকম করলে এতদিনের যে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন চলছিল, যা এই মাধ্যমে শেয়ার হওয়া সমস্ত ম্যাসেজ সুরক্ষিত করছিল তার আর সেরকম কোনো ভিত্তি থাকবে না। ভারতীয় সরকারের আবেদনের উত্তরে হোয়্যাটসআ্যপের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই বিষয়ে আর নতুন কিছু বলার নেই। যা বলার তা আগেই বলে দেওয়া হয়েছে।

Economic Times এ প্রকাশিত একটি রিপোর্টে ভারতীয় সরকারের এই আবেদন দেখে হোয়্যাটসআ্যপের একজন ব্যক্তি বলেন যে ,” এই বিষয়ে নতুন করে আর কিছু বলার নেই “।

উপরিউক্ত রিপোর্টে ভারত সরকার হোয়্যাটসআ্যপ কে অনুরোধ করেছেন যে প্রত্যেকটি ম্যাসেজ যা পাঠানো হবে সেগুলোর জন্য ডিজিট্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এবং এটা এমনভাবে করতে হবে যাতে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন নষ্ট না হয়। এর ফলে যারা ফেক নিউজ ও গুজব রটায় তাদের কাছে পৌঁছনো সহজ হবে। এর ফলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা যাবে। একটি ম্যাসেজ কতজন পড়ছে এবং তা কতবার ফরোয়ার্ড হচ্ছে তা জানার পাশাপাশি সেই ম্যাসেজ প্রথম কোন নাম্বার থেকে এসেছিল সেটা ট্র্যাক করা খুব দরকারি। সরকারের একজন উচ্চ পদস্থ্ ব্যক্তির কথা অনুযায়ী , ” ফিঙ্গারপ্রিন্টিং হোয়্যাটসআ্যপ ম্যাসেজের সাহায্যে কোনো ম্যাসেজ এর মূল উৎস খুঁজে পাওয়া যাবে। আমরা শুধু এটুকুই চাই ” ।

এখনো পর্যন্ত হোয়্যাটসআ্যপ কোনো ম্যাসেজ ট্র্যাক করে না। কিন্তু ভারত সরকারের এই অনুরোধ রাখতে গেলে তাদের ব্যবস্থা প্রায় পুরোটাই আমূল বদলে দিতে হবে।

পড়ুন : হোয়াটসঅ্যাপের এই ফিচার আপনাকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচাবে

সব খবর পড়তে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন – এখানে ক্লিক করুন

টেক ভিডিও দেখার জন্য আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন – এখানে ক্লিক করুন

Last Updated on