Xiaomi-র নতুন রেকর্ড, মাত্র ৪৫ দিনে বিক্রি করলো ৩০০ কোটি টাকার Mi 11X ও Mi 11X Pro

xiaomi-solds-mi-11x-and-mi-11x-pro-smartphones-worth-rs-300-crore-within-45-days-in-india

Mi 11 Ultra (এমআই ১১ আল্ট্রা) সুপারফোনের সাথে Xiaomi (শাওমি) এপ্রিলে আরও দুটি হাই-এন্ড স্পেসিফিকেশনযুক্ত স্মার্টফোন লঞ্চ করেছিল – Mi 11X (এমআই ১১ এক্স) ও Mi 11X Pro (এমআই ১১ এক্স প্রো)। যদিও শিপমেন্ট জনিত সমস্যার কারণে Mi 11 Ultra-এর সেল কবে থেকে চালু হবে, তা জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ডটি এখনও নিশ্চিত করে উঠতে পারেনি। শাওমিপ্রেমীরা এই নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করলেও, মেড ইন ইন্ডিয়া Mi 11X ও Mi 11X Pro কিন্তু তাঁদের খেদ অনেকটাই মিটিয়েছে৷ Mi 11X সিরিজের স্মার্টফোন গ্রাহকদের কাছে যে সাদরে গৃহীত হয়েছে, বিক্রির পরিসংখ্যান সামনে এনে শাওমি তা দৃঢ়চিত্তে দাবি করল।

Mi 11X ও Mi 11X Pro কতখানি জনপ্রিয় হয়েছে তা সেলস নম্বরে স্পষ্ট। শাওমির দাবি, Mi 11X সিরিজ লঞ্চ করার ৪৫ দিনের মাথায় তারা ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। অর্থাৎ পরিসংখ্যান প্রকাশ পর্যন্ত শাওমি সাকুল্যে ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের Mi 11X ও Mi 11X Pro স্মার্টফোন বিক্রি করেছে।

প্রসঙ্গত, অতীতেও দেখা গেছে যে শাওমি বা সংস্থাটির সাব ব্র্যান্ড রেডমির বাজেট, মিড রেঞ্জ, এবং প্রিমিয়াম স্মার্টফোন বা অন্যান্য ডিভাইস লঞ্চের পর থেকেই হট কেকের মতো বিকিয়েছে। ভারতে Mi 11X ও Mi 11X Pro-এর ক্ষেত্রেও এবার সেই পরিচিত দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হল।

বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে দুর্ধর্ষ স্পেসিফিকেশনের পাশাপাশি অ্যাগ্রেসিভ প্রাইসিং এমআই ১১ এক্স এবং এমআই ১১ এক্স প্রো-এর জনপ্রিয়তার মূল চালিকাশক্তি। স্টোরেজ ভার্সন অনুসারে এমআই ১১ এক্স স্মার্টফোনের দাম ২৯,৯৯৯ ও ৩১,৯৯৯ টাকা। স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে আরও প্রিমিয়াম ফোন এমআই ১১ এক্স প্রো ৩৯,৯৯৯ টাকা ও ৪১,৯৯৯ টাকা মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে।

দুটি ফোনেই ৬.৬৭ ইঞ্চির দুর্দান্ত ই৪ অ্যামোলেড (E4 Amoled) ডিসপ্লে রয়েছে, যা ফুল-এইচডি রেজোলিউশন, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট, ৩৬০ হার্টজ টাচ স্যাম্পলিং রেট, এবং এইচডিআর ১০+ (HDR10+) অফার করে। এমআই ১১ এক্স এসেছে স্ন্যাপড্রাগন ৮৭০ প্রসেসরের সাথে। আবার প্রো ভার্সনে স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ প্রসেসর আছে।

এমআই ১১ এক্স-এর প্রাইমারি ক্যামেরা হিসেবে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের Sony IMX582 ইমেজ সেন্সর। বাকি দুটি ক্যামেরা হল ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড সেন্সর এবং ৫ মেগাপিক্সেল মাক্রো সেন্সর। অন্যদিকে এমআই ১১ এক্স প্রো-এ একই সেকেন্ডারি ক্যামেরা থাকলেও প্রাইমারি ক্যামেরাটি হল ১০৮ মেগাপিক্সেলের। দুটি ফোনেরই সামনে ২০ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা আছে। পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য এমআই ১১ এক্স ও এমআই ১১ এক্স প্রো ৪,২৫০ এমএএইচ ব্যাটারি পেয়েছে, যা ৩৩ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে।

হোয়াটসঅ্যাপে খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন

টেকগাপে শুভ্রর প্রথম প্রযুক্তি বিষয়ক লেখায় হাতেখরি৷ স্নাতক স্তরের পড়াশোনার পাশাপাশি এখানেই চলতে থাকে শুভ্রর লেখালেখি৷ কলেজের অধ্যায় শেষ হওয়ার পর শুভ্র এখন টেকগাপের কনটেন্ট টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য৷