গাড়ি-বাইকে রঙের দাগ তুলতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন? এই ভাবে পরিস্কার করে দেখুন তো

বসন্তের অন্যতম উৎসব দোল ও হোলির পালা সদ্য শেষ হয়েছে। ফিকে হয়ে আসা নিত্যনৈমিত্তিক জীবনকে রঙিন করে তুলতে কার না সাধ জাগে! তাই বহু মানুষ এই উৎসব জাঁকজমক ভাবে পালন করেছেন। রঙ খেলার সময় হয়তো পছন্দের স্কুটার, বাইক অথবা গাড়ির কথা বেমালুম ভুলে গিয়েছেন। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। বসন্তের রঙ পথ সঙ্গীকেও রাঙিয়ে দিয়ে গেছে। নিজের গা থেকে দাগ উঠে গেলেও গাড়ির দেহের দাগ তোলা অসম্ভব মনে হচ্ছে। আবার বেশি ঘষাঘষি করলে স্ক্র্যাচ পড়ে যাওয়ার ভয়ে রঙ তুলতে হয়তো পিছপা হচ্ছেন। এমনটা সমস্যা হয়ে থাকলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য। এখানে গাড়ি থেকে হোলির চিহ্ন মুছে দেওয়ার সহজ কিছু টিপস রইল।

দোলের রঙ ওঠাতে এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন

গাড়ি হোক বা স্কুটার, মোটরসাইকেল, হোলির রঙ তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতার প্রয়োজন। কারণ সামান্য বেখেয়ালে ভেহিকেলের পেইন্ট অথবা ফিনিশিং নষ্ট হতে পারে। আবার একটি কথা বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে, গাড়ি বা টু হুইলারের গায়ের রঙ যতদিন থাকবে, ততই পাকাপোক্তভাবে বসতে শুরু করবে। তাই নজরে পড়া মাত্রই সেটি পরিষ্কার করার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ভেহিকেল পেইন্টে কোন শক্তিশালী কেমিক্যাল অথবা ক্লিনার প্রয়োগ করা উচিত নয়। বরং হালকাভাবে পরিষ্কারের পদ্ধতি বেছে নেওয়াই যুক্তিযুক্ত। এক্ষেত্রে মিল্ড কার ওয়াশ সোপ বেশ কার্যকর। এতে পেইন্ট স্কিমের কোনরকম ক্ষতি না করেই রঙ ওঠানো সম্ভব।

যে কোনো ক্লিনিং সলিউশন প্রয়োগ করার আগে গাড়ির বহির্ভাগ জল দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে রঙের দৃঢ়তা কমে আসবে। ঘষার জন্য খসখসে কাপড় বা ব্রাস একেবারেই ব্যবহার করবেন না, এতে স্ক্র্যাচ অবধারিত। বরং নরম কাপড় অথবা স্পঞ্জ ব্যবহার করা যেতে পারে। গাড়ির রং তোলার জন্য একাধিকবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হতে পারে। তাই ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলে চলবে না।

রঙ পুরোপুরি উঠে যাওয়ার পর ভেহিকেল পলিশ অবশ্যই ব্যবহার করুন। এতে পুরনো চাকচিক্য ফিরে আসবে। রঙের হাত থেকে গাড়িকে বাঁচাতে ওয়াক্সিং বিশেষ উপকারী। ইদানিং অনেকেই নিজের গাড়ির ওয়াক্সিং করিয়ে নিচ্ছেন। তাই আপনিও এই উপায়গুলি অবলম্বন করতে পারেন।