TRENDS ▸
Tech GupTop StoriesFirst 5g Powered Ambulance Launched Patient Will Get Treatment Before Going To The Hospital
5G Powered Ambulance Launched

চালু হলো দেশের প্রথম ৫জি-চালিত অ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতালে যাওয়ার আগেই রুগী পাবে চিকিৎসা

গুরগাঁওয়ের আর্টেমিস হাসপাতাল ও এমার্জেন্সি অ্যাম্বুলেন্স সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান মেডুল্যান্স যৌথ উদ্যোগে চালু করল অত্যাধুনিক ৫জি-সক্ষম অ্যাম্বুলেন্স (5G enabled Ambulance)। এই পদক্ষেপ শুধু প্রযুক্তির প্রয়োগ নয়, বরং বাস্তব চাহিদার সমাধানও নিয়ে আসবে। কারণ এক্ষেত্রে হাসপাতালের দরজায় পৌঁছানোর আগেই রোগীর চিকিৎসা শুরু…

avatar
Written By : Tech Gup Desk
Updated Now: June 4, 2025 9:32 PM

গুরগাঁওয়ের আর্টেমিস হাসপাতাল ও এমার্জেন্সি অ্যাম্বুলেন্স সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান মেডুল্যান্স যৌথ উদ্যোগে চালু করল অত্যাধুনিক ৫জি-সক্ষম অ্যাম্বুলেন্স (5G enabled Ambulance)। এই পদক্ষেপ শুধু প্রযুক্তির প্রয়োগ নয়, বরং বাস্তব চাহিদার সমাধানও নিয়ে আসবে। কারণ এক্ষেত্রে হাসপাতালের দরজায় পৌঁছানোর আগেই রোগীর চিকিৎসা শুরু হয়ে যাবে।

৫জি-চালিত অ্যাম্বুলেন্সের সুবিধা

এই অ্যাম্বুলেন্সে পাওয়া যাবে ৫জি কানেক্টিভিটি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)-চালিত টেলিমেডিসিন প্রযুক্তি। অর্থাৎ, রোগীর হার্টবিট, অক্সিজেন লেভেল, ব্লাড প্রেশার, সব কিছুই চলন্ত গাড়ি থেকে সরাসরি হাসপাতালে পাঠানো যাবে, তাও রিয়েল টাইমে। হাসপাতালের ডাক্তাররা তখনই অবস্থান বুঝে গাইড করতে পারবেন প্যারামেডিকদের। এতে করে রুগীর চিকিৎসা হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই শুরু হয়ে যেতে পারে।

অর্থাৎ এক্ষেত্রে বলা যায়, ৫জি-চালিত অ্যাম্বুলেন্স একপ্রকার ‘চলন্ত ইমার্জেন্সি রুম’ হিসেবে কাজ করবে। AI সেন্সর স্বয়ংক্রিয়ভাবে রোগীর অবস্থা নজরে রাখবে, কোনো বিপদের সংকেত পেলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করবে চিকিৎসকদের।

নতুন পরিষেবা চালু করে আর্টেমিস ও মেডুল্যান্স বলেছে, প্রতি বছর ভারতে বিপুল সংখ্যক মানুষ শুধুমাত্র দেরিতে চিকিৎসা পাওয়ার কারণে মারা যান। AIIMS ও ICMR-এর এক গবেষণায় জানা গেছে, উপসর্গ শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেন মাত্র ১০.৮ শতাংশ রোগী। অর্থাৎ পরিস্থিতি বলছে, এমন প্রযুক্তিই এখন সময়ের দাবি।

আর্টেমিস হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দেবলিনা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “এই উদ্যোগ ভারতের এমার্জেন্সি কেয়ারে নতুন মানদণ্ড তৈরি করবে।” আর মেডুল্যান্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রণব বাজাজ এই প্রকল্পকে “একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ” হিসেবে অভিহিত করেছেন।