Jio বনাম Airtel এর 200 টাকার কমের প্ল্যান, কে দিচ্ছে বেশি সুবিধা

দেশের টেলিকম বাজারে Jio ও Airtel এর লড়াই নতুন কিছু নয়। প্রায় প্রতিদিনই দুই সংস্থা একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার জন্য নতুন প্ল্যান বা অফার নিয়ে আসে। সাধারণত কম দামে বেশি ডেটা দেওয়ার জন্য জিও পরিচিত। তবে সব ক্ষেত্রে যে জিও এগিয়ে থাকবে, এমনটা নয়। এয়ারটেলের কিছু প্ল্যানও খোলা চোখে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়। ১৯৯ টাকার প্রিপেড প্ল্যানটি ঠিক তেমনই একটি উদাহরণ, যা সরাসরি জিওর ১৯৮ টাকার প্ল্যানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

Jio vs Airtel এর প্রিপেড প্ল্যানের পার্থক্য

এয়ারটেলের ১৯৯ টাকার প্ল্যানে ব্যবহারকারীরা ২৮ দিনের ভ্যালিডিটি পাচ্ছেন, সেখানে জিওর ১৯৮ টাকার প্ল্যানের ভ্যালিডিটি মাত্র ১৪ দিন। মানে প্রায় দ্বিগুণ সময়। অনেকের কাছেই এটা বড় ফ্যাক্টর হতে পারে, বিশেষ করে যারা বারবার রিচার্জ করতে পছন্দ করেন না।

প্রথমে জিওর প্ল্যানের কথায় আসা যাক। ১৯৮ টাকার এই প্ল্যানে প্রতিদিন ২ জিবি করে মোট ২৮ জিবি ডেটা দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে আনলিমিটেড কলিং এবং প্রতিদিন ১০০টি ফ্রি এসএমএস। যোগ্য গ্রাহকদের জন্য আনলিমিটেড ৫জি ডেটার সুবিধাও মিলছে। এছাড়া জিও টিভির ফ্রি সাবস্ক্রিপশন এবং জিও এআই ক্লাউডের অ্যাক্সেসও দেওয়া হচ্ছে। ডেটা ব্যবহার বেশি হলে এই প্ল্যান বেশ উপযোগী বলেই মনে হবে।

অন্যদিকে এয়ারটেলের ১৯৯ টাকার প্ল্যানে ডেটার পরিমাণ তুলনামূলক কম। পুরো ভ্যালিডিটি জুড়ে মোট ২ জিবি ডেটা দেওয়া হচ্ছে। তবে আনলিমিটেড কলিং এবং রোজ ১০০টি এসএমএস এখানেও মেলে। এই প্ল্যানের সঙ্গে ১২ মাসের জন্য Perplexity Pro AI-এর ফ্রি অ্যাক্সেস দেওয়া হচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৭ হাজার টাকা। শুনতে একটু অবাক লাগলেও অফারটা সত্যিই চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি Airtel Xstream Play-এর সুবিধা এবং ৩০ দিনের ফ্রি হ্যালো টিউনও থাকছে।

যাইহোক, কোন প্ল্যানটা ভালো হবে সেটা পুরোপুরি ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের উপর নির্ভর করছে। বেশি ডেটা চাইলে এক্ষেত্রে জিও এগিয়ে থাকবে। আবার দীর্ঘ ভ্যালিডিটি এবং অতিরিক্ত ডিজিটাল সুবিধা চাইলে এয়ারটেলের প্ল্যানটা ভালো হবে।