ভিভো স্মার্টফোনের বিজ্ঞাপন দিতে দেখা যাবেনা আমির খান ও সারা আলী খানকে, জানুন কারণ

amid-anti-china-sentiment-vivo-may-not-use-aamir-khan-and-sara-ali-khan-in-advertisement

এতদিন Vivo কোম্পানির স্মার্টফোন বললেই আমির খানের চেনা হাসি সামনে আসতো। আসলে আমির খান ও সারা আলি খান দুজনেই ভিভোর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে এতদিন সংস্থার প্রচার করতেন। কিন্তু ভারত-চীন সীমান্ত বিরোধের পর থেকে চীনা স্মার্টফোন সংস্থাগুলি বেশ প্যাঁচে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংস্থাগুলি ভারতে তাদের বিপণনের কৌশল পরিবর্তন করছে। সূত্রের খবর, ভিভো আগামী কয়েক মাস বিজ্ঞাপন প্রচারে আমির খান বা সারা আলি খান কাউকেই ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দেখাবে না। এমনকি, এই দুই অভিনেতা ভিভোর আইপিএল ইভেন্ট থেকেও দূরে থাকবেন।

এই বিষয়ে এক ইন্ডাস্ট্রি এক্সিকিউটিভ জানিয়েছেন, ভিভো সংস্থা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)-এর স্পনসর। সংস্থাটি আসন্ন আইপিএল লিগের প্রচারের পাশাপাশি নতুন ফোন লঞ্চের বিজ্ঞাপনও দেবেন। তবে আমির বা সারা কোনো নতুন ফোন প্রচারে অংশ নেবে না। মনে করা হচ্ছে, চীনের সাথে বিরোধের পরে একাংশ মানুষ দাবি করেছিল, যাতে ভারতীয় তারকারা চাইনিজ ব্র্যান্ডগুলির প্রচার বন্ধ করেন যার জেরেই এই পদক্ষেপ। যদিও ভিভো ইন্ডিয়ার মুখপাত্ররা এবিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

আমির খান, ভিভোর সাথে ২০১৮ সালে বিজ্ঞাপনের চুক্তি সই করেছিলেন। এদিকে ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জানিয়েছেন, আপাতত চুক্তি শেষ করা হচ্ছেনা, তিনি ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর থাকছেন। তবে কিছু সময়ের জন্য, ভারতীয় সেলিব্রিটিদের বিজ্ঞাপনগুলিতে দেখা যাবেনা। এতে সেলিব্রিটিরা গ্রাহকদের কাছ থেকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাবেন।

আমির খান প্রতিটি ব্র্যান্ড শ্যুটের জন্য প্রায় চার কোটি টাকা চার্জ করেন, অর্থাৎ বিজ্ঞাপন থেকে তাঁর বছরে প্রায় ১২ থেকে ১৫ কোটি টাকা আয় হতো। এমনিতে ভিভোর টুইটার হ্যান্ডেলে প্রায়ই আমির খানের উপস্থিতি টের পাওয়া যেতো, কিন্তু এখন তাঁকে কোনোরকম প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যাবেনা।