Royal Enfield Himalayan-এর পুরানো মডেল কেনার কথা ভাবছেন? জেনে নিন সুবিধা ও অসুবিধা

Royal Enfield Himalayan-এর পুরানো মডেল কেনার আগে ভালো ও খারাপ দিক জেনে নিন

before-buy-used-royal-enfield-himalayan-know-cons-pros

২০১৬ সালে Royal Enfield Himalayan মোটরসাইকেলটি প্রথম বাজারে এসেছিল। অ্যাডভেঞ্চার-টুরিং মোটরসাইকেল সেগমেন্টে এটিকে প্রথম দিশারী বলা যেতেই পারে, যা Royal Enfield-এর অন্যতম একটি সফলতা। সুগম থেকে বন্ধুর যেকোনো রাস্তায় চলার জন্য Royal Enfield Himalayan বাইকটির জুড়ি মেলা ভার। কাছেপিঠে বা দূরে কোথাও ভ্রমণের জন্য এটি আদর্শ পথসঙ্গী হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে এর বাজার মূল্য ১.৬৬ – ২.১৮ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম)। দাম বেশি হওয়ার কারণে অনেকের মনে ইচ্ছে থাকলেও নতুন মডেল কেনার সাধ্য হয়ে ওঠে না। তাই বিকল্প পথ হিসেবে যদি Royal Enfield Himalayan-এর পুরানো মডেল কেনার কথা ভাবেন তবে এর সুবিধা ও অসুবিধাগুলি জেনে নিন।

Royal Enfield Himalayan-এর পুরানো মডেল কেনার সুবিধা

১) রয়্যাল এনফিল্ড হিমালয়ান মোটরসাইকেলটির রাইডিং ভীষণই আরামদায়ক। নিত্যদিন ব্যবহার থেকে সুদীর্ঘ পথ, উভয় ক্ষেত্রেই এটি খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

২) এর ৪১১ সিসি ইঞ্জিনটি থেকে সর্বোচ্চ ২৪.৫ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৩২ এনএম টর্ক উৎপন্ন হয়, প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য যা যথেষ্ট। এছাড়াও কোনো কমিউটার বাইক ব্যবহারকারী যদি এই মোটরসাইকেলটি কেনেন তবে চালানোর দিক থেকে তাঁর বিশেষ অসুবিধা হবে না।

৩) তবে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ২০১৮-এর পরের মডেলগুলিতে এবিএস ব্রেকিং সিস্টেম এবং ফুয়েল ইঞ্জেক্টেড ইঞ্জিন সমেত আনা হয়েছে। তাই Royal Enfield Himalayan-এর পুরানো মডেল কিনলে ২০১৮-র পর ম্যানুফ্যাকচার হয়েছে এমন মডেল কেনাই লাভজনক হবে।

৪) রয়্যাল এনফিল্ড হিমালয়ান নিয়ে আপনি অনায়াসে লাদাখ, স্পিতি ইত্যাদি দূরের কোনো গন্তব্যে পাড়ি দিতে পারবেন। কারণ অফ-রোডিংয়ের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হিসেবে এতে রয়েছে দীর্ঘতর সাসপেনশন, ২২০ এমএম-এর গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং স্পোক হুইল।

৫) রক্ষণাবেক্ষণের খরচ সমগোত্রীয় অন্যান্য বাইকের তুলনায় অনেকটাই কম। এছাড়াও Royal Enfield-এর বৃহৎ নেটওয়ার্কের কারণে যে কোনো জায়গায় বাইকে গোলযোগ দেখা দিলে অতি সহজেই তার সমাধান মিলবে।

Royal Enfield Himalayan-এর পুরানো মডেল কেনার অসুবিধা

১) পুরানো Royal Enfield Himalayan কেনার সুবিধা যেরকম রয়েছে তেমন কিছু অসুবিধাও রয়েছে। যেমন সংস্থার কাউন্টার-ব্যালেন্সড ইঞ্জিন প্রথম এই বাইকটিতে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বহু গ্রাহকের থেকেই এর সম্পর্কে বিভিন্ন অভিযোগ শোনা গেছে। বিশেষত বিশ্বাসযোগ্যতা এবং যান্ত্রিক ক্ষেত্রে।

২) হিমালয়ানের কার্ব ওয়েট ১৯১ কেজি। বেশি ওজন হওয়ার কারণে অফ-রোডে চালানো সমস্যাদায়ক হতে পারে।

৩) এর প্রাথমিক মডেলগুলিতে ১০০ কিমি/ঘন্টার উপরে গতিবেগ তুললে ভাইব্রেশনের অভিযোগ রয়েছে।

৪) অভিজ্ঞ রাইডারদের কাছে এই Royal Enfield Himalayan-এর পারফরম্যান্সে কমতি উপলব্ধি হতে পারে।

টেকগাপের মেম্বাররা ও সদ্য যোগ দেওয়া লেখকরা এই প্রোফাইলের মাধ্যমে টেকনোলজির সমস্ত রকম খুঁটিনাটি আপনাদের সামনে আনে।